ভোটগ্রহণের আগেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শাহীন চাকলাদার নিজেকে যশোর সদর উপজেলার চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছেন। মাইকিং করে নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা দিয়ে তিনি ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ করছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, সাধারণ ভোটারদের মাঝে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ। তবে ভয়ে কিছু বলতে পারছেন না তারা।
বিএনপি সমর্থিত ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর এমন আচরণে নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির আশঙ্কা করছেন। তারা এই ঘটনাকে নজীরবিহীন ও ন্যাক্কারজনক আখ্যা দিয়ে এর বিচার দাবি করেছেন।
আগামী ২৩ মার্চ যশোর সদর উপজেলা পরিষদের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। চেয়ারম্যান পদে বিএনপি ছাড়াও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।
স্থানীয় সূ্ত্রে জানা গেছে, যশোর সদর উপজেলা নির্বাচনের শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহীন চাকলাদার ক্ষমতার দাপট দেখানো শুরু করেন। প্রশাসনের সামনেই আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে নানা ধরনের প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও সর্মথকদের ভয়ভীতি, হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন।
গত মঙ্গলবার থেকেই শাহীন চাকলাদারের পক্ষ থেকে যশোর সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করে বলা হচ্ছে যে- সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীকে উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের গেজেটও হয়ে গেছে। ২৩ মার্চ সন্ধ্যার পর তা ঘোষণা করা হবে। অতএব অন্য কোনো প্রার্থীকে ভোট দেয়ার আর কোনো প্রয়োজন নেই।
এ বিষয়ে জানতে শাহীন চাকলাদারের সঙ্গে মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করা হলেও তার কাছ থেকে কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, এমন প্রচারণার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী দুলু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়। তারা অবিলম্বে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের প্রতিও অনুরোধ জানান।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির নেতাকর্মীদের হয়রানি বন্ধ করে অবাধে ভোটদানের পরিবেশ তৈরি করে দিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
[b]যশোর, ২০ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেবি[/b]
শ্রেণীহীন
ভোটের আগেই নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ
ভোটগ্রহণের আগেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শাহীন চাকলাদার নিজেকে যশোর সদর উপজেলার চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছেন। মাইকিং করে নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা দিয়ে তিনি ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিষেধ করছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে





