[b]ঢাকা:[/b] চলতি মৌসুমে (২০১৩-১৪) বিশ্বব্যাপী সব ধরনের শস্যের উৎপাদন বাড়বে। লন্ডনভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল গ্রেইন কাউন্সিলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে বিশ্বে ১৯৪ কোটি টন শস্য উৎপাদন হতে পারে। বাড়তি উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য সরবরাহও বাড়বে। জাতসংঘের হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় এবার বৈশ্বিক খাদ্য আমদানি বিল ৩ দশমিক ২ শতাংশ কমবে। খবর ব্লুমবার্গের।
ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচারের (ইউএসডিএ) তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৯৯ কোটি বুশেল ভুট্টা উৎপাদন হতে পারে। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক সরবরাহ বাড়তে পারে ৯৬ কোটি ৪৩ লাখ টন। ২০১৪ সালে উত্তর গোলার্ধে খাদ্য সংগ্রহ মৌসুম শুরুর আগে ভুট্টার বৈশ্বিক মজুদ দাঁড়াবে ১৬ কোটি ২৪ লাখ ৬০ হাজার টন, যা ১৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বলে ইউএসডিএ জানিয়েছে।
ভুট্টার পাশাপাশি গম উৎপাদনও রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে ৭১ কোটি ১৪ লাখ টনে। এর মধ্যে কানাডায় ৩৮ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ায় ১৮ ও রাশিয়ায় ৩৭ শতাংশ উৎপাদন বাড়বে বলে সম্প্রতি ইউএসডিএ জানিয়েছে।
এদিকে বিশ্বব্যাপী সয়াবিন উৎপাদন রেকর্ড পরমাণ বেড়ে দাঁড়াবে ২৮ কোটি ৪৯ লাখ টনে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন বাড়বে ব্রাজিলে। সে হিসাবে চলতি বছর উত্তর গোলার্ধে আবাদ কার্যক্রম শেষের আগে বিশ্বে মোট ৭ কোটি ৬ লাখ ২০ হাজার টনে, যা এক বছর আগের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেশি।
রেকর্ড পরিমাণ ভুট্টা উৎপাদনের সম্ভাবনায় বিশ্ববাজারে শস্য তিনটির দাম গতকাল সবচেয়ে কমেছে; ১৯৬০ সালের পর যা প্রথম বার্ষিক দরপতন। গত বছর ফিউচার মার্কেটে সার্বিকভাবে ভুট্টা, গম ও সয়াবিনের দাম কমেছে যথাক্রমে ৩৯, ২৩ ও ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। গতকাল সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় ২টা ১৯ মিনিটে প্রতি বুশেল ভুট্টা ৪ ডলার ২৩, গম ৬ ও সয়াবিন ১৩ ডলার ৬ সেন্টে লেনদেন হয়। এদিকে ২০১২ সালে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ফলন ব্যাহত হওয়ায় শস্যের বাজার ঊর্ধ্বমুখী ছিল। এ সময় রেকর্ড পরিমাণ দাম বেড়ে প্রতি বুশেল ভুট্টা ৮ ডলার ৪৯ ও সয়াবিন ১৭ ডলার ৮৯ সেন্টে বিক্রি হয়। এছাড়া ২০১২ সালে চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দাম বেড়ে প্রতি বুশেল গম বিক্রি হয় ৯ ডলার ৪৭ সেন্টে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক ও ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকস সম্প্রতি জানিয়েছে, শস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রতি বুশেল ভুট্টার দাম কমে বিক্রি হবে ৩ ডলার ৭৫ সেন্টে। ওই সময় প্রতি বুশেল সয়াবিন লেনদেন হতে পারে ৯ ডলার ৫০ সেন্টে।
এদিকে গত কয়েকদিন আগে আর্জেন্টিনায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে ফলন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কায় শসের দাম বেড়ে যায়। তবে দেশটির কিছু কিছু অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হওয়ার পূর্বাভাসে সয়াবিনের দাম এখন কমতির দিকে। শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) আগামী মার্চে সরবরাহের জন্য প্রতি বুশেল ভুট্টার দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৪ ডলার ২৫ সেন্টে লেনদেন হয়, যা ১৯ ডিসেম্বরের পর সর্বনিম্ন।
শিকাগোতে এদিন ভুট্টার দাম বাড়লেও সয়াবিনের দাম সামান্য পরিবর্তন হয়। আগামী মার্চে সরবরাহের জন্য প্রতি বুশেল সয়াবিনের দাম সামান্য পরিবর্তন হয়ে লেনদেন হয় ১৩ ডলার ১২৫ সেন্টে।চলতি বছর সয়াবিনের দাম কমেছে ৬ দশমিক ৯ সেন্ট। এদিন সিবিওটিতে প্রতি বুশেল গমের দাম দশমিক ৩ শতাংশ কমে লেনদেন হয় ৬ ডলার ৭ সেন্টে।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর [/b]
চলতি মৌসুমে বিশ্বে শস্য উৎপাদনের সম্ভাবনা ১৯৪ কোটি টন
ঢাকা: চলতি মৌসুমে (২০১৩-১৪) বিশ্বব্যাপী সব ধরনের শস্যের উৎপাদন বাড়বে। লন্ডনভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল গ্রেইন কাউন্সিলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে বিশ্বে ১৯৪ কোটি টন শস্য উৎপাদন হতে পারে।
গ্রীষ্মের আগেই ৫ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য
আগামী বছরের গ্রীষ্ম মৌসুম শুরুর আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজশাহীতে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে এ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়। এর মধ্য দিয়ে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের পথে আরও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করল দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি।
মীর শাহে আলম ২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে চাই
২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বিদ্যুৎ সক্ষমতা থাকলেও উৎপাদন কম : সংসদীয় কমিটি
দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর্যাপ্ত সক্ষমতা থাকলেও জ্বালানি সংকট, বকেয়া বিল পরিশোধ না করাসহ নানা কারণে চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে সংসদীয় কমিটি। বিদ্যুৎ খাতের সার্বিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে কমিটি।
বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনে সহযোগিতা দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
মানববর্জ্য, পয়ঃশোধনাগারের বর্জ্য, রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
















