[b]ঢাকা: [/b]কড়া নিরাপত্তায় প্রধান বিরোধী দলসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহন ছাড়াই চলছে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহন। তবে নেই ভোটারদের উপস্থিতি। তবে উপস্থিতি দেখাতে ভূয়া ভোটার উপস্থিত করে লাইনে দাড় করানো হচ্ছে বিভিন্ন কেন্দ্রে। এরই মধ্যে সহিংসতার কারণে সারাদেশে ১৩৬ কেন্দ্রে বাতিল করা হয়েছে ভোট। এদিকে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে কারচুপির অভিযোগ করছেন প্রার্থীরা। বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটার নয় এমন অনেক ভূয়া ভোটার লাইনে দাড়িয়েছেন এমন চিত্রও ধরা পড়েছে সাংবাদিকদের কাছে। ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে এমন ভূয়া ভোটার উপস্থিত করা হচ্ছে বলে মনে করছেন গনমাধ্যমকর্মীরা।
জানা গেছে, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। এমনকি ভোটারদের উপস্থিতি দেখাতে দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের দিয়ে লাইনে দাঁড় করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ভোটারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ব্যাপক জাল ভোট পড়বে।
এদিকে টাইম নিউজ হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি জানান, হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানার ১৫ নং পৈলার কান্দি ইউনিয়নের দুরগাহপুর দাখিল মাদরাসা কেন্দ্রে জনগণ ভোট দিতে না আসায় এলাকার আওয়ামীলীগ নেতা এমদাদ মাষ্টার, তার ভাতিজা আব্দুল হামিদ ও সাবেক মেম্বার মোনতাজ মিয়া মহল্লার শিশু-কিশোরদের ধরে এনে উপস্থিত দেখাতে লাইনে দাড় করিয়ে রেখেছে এবং পরে এদেরকে দিয়ে ভোট দেয়া হয়েছে।
অন্যান্য বার ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হলেও, এবার কিন্ত রাজধানী ঢাকায় সেই উৎসবমুখর আমেজ ছাড়াই চলছে দশম জাতীয় সংসদের ভোটগ্রহন। রাজধানীর ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি খুবই কম। অবরোধ ও হরতালের মত কর্মসূচীর কারনে ভোটারদের মধ্যে আতংক। নির্বাচন অনুষ্ঠানের সব আয়োজন থাকলেও কত সংখ্যক ভোট পড়বে বা কত ভোটার অংশগ্রহন করবে তা নিয়ে সংশয় ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের।
এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সহিংসতার অভিযোগে ১৩৬ টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহন স্থগিত করা হয়েছে।  দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪৭টি আসনে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিএনপিসহ অংশ নিচ্ছে না ৩০টি দল। নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারছে চার কোটি ৩৯ লাখের কিছু বেশি ভোটার। ভোটকেন্দ্র গুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন ৫০ হাজার সেনাবাহিনীর সদস্য। নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছে দেশীয় ২২টি সংস্থা।

[b][font=Vrinda]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর [/font][/b]