এখনো আলো ফোটেনি নারীর অধিকারপ্রাপ্তির ধরাতে। এখনো দেশের ৮৭ শতাংশ নারী সহিংসতার শিকার। নিজ গৃহে, স্কুলে, রাস্তায়, কর্মক্ষেত্রে সহিংসতার শিকার হচ্ছেন নারী। তাইতো আঁধার ভাঙার শপথ নিয়ে শুরু হলো আর্ন্তজাতিক নারী দিবস। আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি উদযাপন করছে।
রাষ্ট্র ও সমাজ জীবনের সর্বত্র নারী-পুরুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে বাংলাদেশ সরকার এ বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘উন্নয়নের মূল কথা, নারী-পুরুষের সমতা’। এছাড়াও মানবাধিকার ও নারী সংগঠনগুলো বিভিন্ন প্রতিপাদ্য নিয়ে দিবসটি উদযাপন করছে।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এডভোকেট ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এডভোকেট তার বাণীতে বলেছেন- “বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও জাতিসংঘ ঘোষিত ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০১৪’ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের আপামর সকল নারীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিবাদন।
সভ্যতার শুরু থেকে সকল উন্নয়ন ও অগ্রগতির অংশীদার হিসেবে সৃজনশীল ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে পুরুষের পাশাপাশি নারী সমাজ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছে। বাংলাদেশের সংবিধানে নারী-পুরুষের সমান অধিকারের বিষয়টি স্পষ্ট রূপে বিধৃত হয়েছে। নারীর অধিকার এবং সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ ও নারীর প্রতি সকল বৈষম্য দূরীকরণে প্রণয়ন করা হয়েছে বিভিন্ন নীতি, বিধিমালা ও কর্মপরিকল্পনা। আশা করি নারী উন্নয়ন নীতি, কর্মপরিকল্পনা, আইন ও বিধিমালার কার্যকরী বাস্তবায়নের ফলে নারীর সার্বিক সমতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সমাজের সকল স্তরের সমতাভিত্তিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন- “আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বিশ্বের সকল নারীকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নারী জাগরণের অগ্রদূতদের, যাদের আত্মত্যাগ ও নিষ্ঠায় নারীর সমঅধিকার এবং মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলন আজ সর্বব্যাপী হয়েছে।
এ বছরের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মূল প্রতিপাদ্য “অগ্রগতির মূল কথা নারী-পুরুষ সমতা” বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে যথেষ্ট সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি। এটি সমাজে নারী অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারেরও প্রতীক।
নারীর ক্ষমতায়ন, সমতা এবং উন্নয়নের মূলধারায় পূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে দরিদ্রতা, নিরক্ষরতা, সহিংসতা ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ায় সকলকেই একযোগে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রয়াসে সমাজ এগিয়ে যাচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশে সমর্থ হবে। সরকারের সময়োপযোগী ও বলিষ্ঠ পদক্ষেপের কারণে নারী উন্নয়ন আজ দৃশ্যমান হয়েছে। রাজনীতি, বিচার বিভাগ, প্রশাসন, অর্থ, শিক্ষা, চিকিৎসা, সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সর্বক্ষেত্রে নারীর সফল পদচারণায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমযার্দায় ও সম্মিলিত অংশগ্রহণে শান্তিময় দেশ তথা বিশ্ব গঠন সম্ভব হবে বলে আমি আশা করি।
আমি আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০১৪ উদযাপনের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
[b]ঢাকা,৮মার্চ,টাইমনিউজবিডি//এসএইচ[/b]
শ্রেণীহীন
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী
এখনো আলো ফোটেনি নারীর অধিকারপ্রাপ্তির ধরাতে। এখনো দেশের ৮৭ শতাংশ নারী সহিংসতার শিকার। নিজ গৃহে, স্কুলে, রাস্তায়, কর্মক্ষেত্রে সহিংসতার শিকার হচ্ছেন নারী। তাইতো আঁধার ভাঙার শপথ নিয়ে শুরু হলো আর্ন্তজাতিক নারী দিবস। আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি উদযাপন করছে





