বগুড়ার আদমদীঘিতে সোনালী ব্যাংকের শাখায় সুড়ঙ্গ করে ৩০ লাখ ৭৯ হাজার ৮০০ টাকা লুটের মামলায় আরও ৩ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে আদমদীঘি থানা পুলিশ। এনিয়ে মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করলো পুলিশ।
এদিকে একসপ্তাহ অতিবাহিত হলেও নতুন কিছু করতে পারেনি আদমদীঘি থানা পুলিশ। লুট হওয়া টাকারও হদিস মেলেনি।
এদিকে ৫ দিনের রিমান্ডে থাকা প্রথম দফায় গ্রেপ্তার ৮ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শুক্রবার জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আর  মামলাটির তদন্তভার শুক্রবার থেকে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) শাখায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নতুন গ্রেপ্তার দেখানো ব্যক্তিরা হলেন- ডালম্বা গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে শাহাদত হোসেন (৩৩)। আদমদীঘির কুসুম্বি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান (৪০) ও ছোট জিনইর গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মোজাম হোসেন (৫০)।
আদমদীঘি থানার পরিদর্শক (তদন্ত)  জহুরুল হক জানান,নতুন ৩ আসামিকে জিঞ্জাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চাইলে বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক হাসান শাহরিয়ার তারিক ৩ আসামির প্রত্যেককে ৩দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আগের ৮ আসামির রিমান্ডের ৫ দিন শেষ হওয়ায় শুক্রবার তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত ডিবিতে স্থানান্তর হওয়ায় শুক্রবার নতুন ৩ আসামিকে ডিবি কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।  
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন,মামলাটির তদন্তভার দেয়া হয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরিফুর রহমানকে। তবে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মামলার নথিপত্র জেলা গোয়েন্দা কার্যালয়ে পৌঁছেনি। মামলার নথি হাতে পেলেই নতুন তদন্ত কর্মকর্তা কাজে নামবেন বলে তারা জানিয়েছেন।
৭ মার্চ রাতে বগুড়ার আদমদিঘী উপজেলার সোনালী ব্যাংকের সুরঙ্গ খুড়ে ৩০ লাখ ৭৯ হাজার ৮০০ টাকা চুরি করা হয়।
[b]ঢাকা, ১৪ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ[/b]