ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় আশুগঞ্জ উপজেলার সোহাগপুর গ্রামে ২জন নিহত হওয়ার এক মাস পার হয়ে গেলে এখনও কোন আসামি ধরা পড়েনি ।
পুলিশ বলছে আসামিদের পাওয়া যাচ্ছেনা।
নিহত দুইটি পরিবারে কাটেনি এখনোও শোকের মাতম। নিহতদের পরিবারগুলো এখন বিচারের আশায় ঘুরছে প্রতিদিন। হত্যা মামলা দুইটির একাধিক আসামি হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করছে।
নিহত পরিবার দুইটির দাবি তারা কি জোড়া খুনের বিচার পাবে না? গত এক মাসেও কোন আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় অনেকে পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
জানা যায়, উপজেলার সোহাগপুর গ্রামে গত বছর ২৯ ডিসেম্বর পুকুরে ডুব দেয়া নিয়ে বাজি ধরাকে কেন্দ্র করে মোল্লাবাড়ী ও চৌধুরী বাড়ীর মধ্যে সংর্ঘষ হয়। এই ঘটনার চৌধুরী বাড়ী লোকজনের হাতে ঘটনাস্থলেই মোল্লাবাড়ীর শরীফ ও হীরা মিয়া নিহত হয়।
এ ব্যাপারে ঘটনার পরের দিন নিহত শরিফের বাবা শাজাহান মিয়া বাদি হয়ে চৌধুরী বাড়ীর ১৭ জন ও নিহত হিরা মিয়া ছেলে মো.নাহিদ মিয়া বাদি হয়ে চৌধুরী বাড়ীর ২১ জনকে আসামি করে দুইটি হত্যা মামলা আশুগঞ্জ থানায় দায়ের করলেও আজ কোন আসামি পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।
নিহতদের পরিবারের লোকজন অভিযোগ করে বলেন দুই হত্যা মামলার ইতেমধ্যে ১৬ জন আসামি হার্ইকোট থেকে জামিন নিয়ে প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরাফেরা করছে। আসামিদের প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা নিয়ে দুইটি পরিবারে এখন চলছে চরম আংতক ।
নিহত শরিফ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী মো.আলমগীর মিয়া জানান, হত্যাকারিরা একের পর জামিন নিয়ে এলাকায় আসছেন। একমাত্র সংসারের আয় করা ছেলে শরিফ নিহত হওয়ার পর পরিবারটি এখন পথে বসতে হচ্ছে।
নিহত শরিফের বাবা শাজাহান মিয়া জানান আমার সন্তানের একজন হত্যাকারীকেও এক মাসে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।
আরেক নিহত হিরা মিয়া পরিবারে চলছে শোকের আহাজারি। নিহত হিরা মিয়া ছেলে মো. নাহিদ মিয়া বলেন, আমার পিতাকে মধ্যযুগীয় বর্বরতার মত প্রকাশ্যে তারা হত্যা করেছে। কিন্তু দু:খের বিষয় আজও তারা কেউ গ্রেফতার হয়নি। দুইটি নিহত পরিবার দ্রুত আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানান।
এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম ফারুক জানান আসামিদের ধরার ব্যাপারে অভিযান চলছে।
[b]ঢাকা,এস আই ৪ ফেব্রয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
শ্রেণীহীন
মাস পেরিয়ে গেলেও ধরা পড়েনি কোন আসামি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় আশুগঞ্জ উপজেলার সোহাগপুর গ্রামে ২জন নিহত হওয়ার এক মাস পার হয়ে গেলে এখনও কোন আসামি ধরা পড়েনি ।





