বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, পুলিশ অন্যায় এবং বেআইনিভাবে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। এর মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নস্যাৎ করতে সরকারের বর্বর চেহারা ফুটে উঠেছে বলে মনে করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারস ইনস্টিটিউশনের অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে বাইরে বসে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন যথাসময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, কূটনীতিকবৃন্দ এবং আমন্ত্রিন অতিথিরাও উপস্থিত হবেন।
বিকাল ৪টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারস ইনস্টিটিউশনে ঢাকা মহানগরে গুম, অপহরন হওয়া নেতাকর্মীদের স্মরণে ‘ফিরিয়ে দাও’ শিরোনামে এ  প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে দলের ঢাকা মহানগর শাখা।
মির্জা আলমগীর বলেন, ‘পুলিশের আইজিপি মহোদয়ের সাথে আমার ব্যক্তিগতভাবে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, অনুষ্ঠান বন্ধ করার বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। এমনকি বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ডিএমপি কমিশনানের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনিও একই মত প্রকাশ করেছেন।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশ আর গণতান্ত্রিক দেশ নেই। গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বাধা দিয়ে সরকার মূলত তার গণবিরোধী রুপের প্রকাশ ঘটিয়েছে। জনগণের মৌলিক অধিকার কেড়ে নেয়ায় এর মাধ্যমে প্রমান হয়েছে, সরকার পুলিশি শক্তি দিয়ে দেশ চালাচ্ছে।  
এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকা, দলের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, শামছুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট আহমদ আজম খান, যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দীন আহমেদ, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবদুস সালাম, দলের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবীর খোকন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক হাবীব উন নবী খান সোহেল,ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে পুলিশ অনুষ্ঠানস্থলে এসে অনুমতি নেই এমন দাবী করে সাজসজ্জা বন্ধ করে দেয়। এরপরেই মিলনায়তনের সব কয়টি ফটক তালাবদ্ধ করে চাবি নিয়ে চলে যায়
[b]ঢাকা, এমএইচ,২২মে (টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ[/b]