[b]পাবনা: [/b]পাবনার ঈশ্বরদীতে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিজয় মিছিল ও বিএনপির হরতালের মিছিলকে কেন্দ্র করে দুপুরে ছাত্রলীগ-বিএনপির মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে।
উভয়ের মধ্যে ব্যাপক ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি বিনিময় ঘটে। ঈশ্বরদী ষ্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা খুলনা থেকে রাজশাহী গামী মহানন্দা এক্সপ্রেস টেনে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ১০ জন যাত্রী আহত হয়েছে। এছাড়া ৩০টি বেসরকারি ব্যাংক-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করা হয়।
বিকেলে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে আটক করেছে বলে জানা যায়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,শনিবার ১টার দিকে ছাত্রলীগের ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রলীগ একটি র্যাবলী বের করে। এসময় বিএনপির একটি মিছিল হরতালের সমর্থনে বের হয়। ছাত্রলীগ কর্মীরা বিএনপি কর্মীদের ধাওয়া করলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া, পাল্টা-ধাওয়া,বোমা বিস্ফোরণ ও গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে। রেল লাইনের পশ্চিম পাশে বিএনপি এবং পূর্ব পাশে যুবলীগ-ছাত্রলীগের কর্মিদের মধ্যে প্রায় ২ ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চলে।
এতে উভয় দলের ৩০ জন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়। ১৭ জনকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি ও চিকিৎসা নিয়েছে বাকি আহতরা।
আহতরা হলেন-রুবেল (১৯),ইমরান (১৯),সীমান্ত (১৮),আলীউর রহমান (১৮),রাজন (২২),জুয়েল (৩৪),খায়রুল (২৫),অনিক (১৭),জালাল (২৫),আলমগীর (৩৩),পিন্টু (৩০), কবির (৩৫),সোহেল (৩০),আলআমিন (৩০),বিপ্লব (৩১),কুদ্দুস (৩৫) ও আরাফাত (২৪)।
এই ঘটনার সময় স্থানীয় ইসলামী ব্যাংক,প্রাইম ব্যাংক,ব্যাংক এশিয়া,উত্তরা ব্যাংক,ব্র্যাক ব্যাংক,অগ্রণী ব্যাংক,কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার,উত্তরা আবাসিক হোটেল,আহম্মেদ শপিং কমপ্লেক্স,খাবারের দোকানসহ ৩০ টিরও বেশী দোকানপাট ভাংচুর করা হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিমান কুমার দাশ জানান,পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ৫০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ করেছে।
ওসি আরো বলেন,বিকেল ৪টা থেকে যৌথ বাহিনী অভিযানে নেমেছে। এ সময় ১২জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।





