[b]কুড়িগ্রাম: [/b]কুড়িগ্রামে জাতীয় পার্টির এমপি তাজুল ইসলাম চৌধুরীকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা জনতার ব্যানারে আজ শনিবার দুপুরে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম টুকু,ডেপুটি কমান্ডার আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল বাতেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান কাজিউল ইসলাম,জাসদ নেতা ইসমাঈল হোসেন বাদল,সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি আনিছুর রহমান চাঁদ প্রমুখ।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম টুকু বলেন,তাজুল ইসলাম চৌধুরী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম ২ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। কুড়িগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের মানুষ এমন একজন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীকে সাংসদ হিসেবে মেনে নিতে পারছে না।
বীর প্রতিক আব্দুল হাই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, বর্তমান সরকার মুক্তিযুদ্ধের ধারক বাহক হিসাবে দাবি করলেও একজন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীকে পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে এমপি নির্বাচিত করে। এ ঘটনা কুড়িগ্রাম বাসীর সঙ্গে প্রতারণার সামিল।
সমাবেশে আরো বলা হয়, তাজুল ইসলাম চৌধুরীর বিরূদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালীন গণহত্যা ,নির্যাতন, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে বীর প্রতিক আব্দুল হাই ২০০৮ সালের ৭ই জানুয়ারী মুক্তিযোদ্ধা ডোমাস চন্দ্র ও আব্দুল করিমকে মোগলবাসা থেকে ধরে এনে হত্যার অভিযোগে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। কুড়িগ্রাম সদর থানার ডায়রী নম্বর-২৫৩। ১৯৭১ সালের ৩রা ডিসেম্বর মোগলবাসা থেকে ঐ দুই মুক্তিযোদ্ধাকে তাজুল চৌধুরীর নেতৃত্বে ধরে আনা হয় বলে এজাহারে এজাহারে উল্লেখ করা হয়হয়।
শ্রেণীহীন
কুড়িগ্রামে জাপার এমপিকে অবাঞ্চিত ঘোষণা
কুড়িগ্রামে জাতীয় পার্টির এমপি তাজুল ইসলাম চৌধুরীকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।





