[b]ঢাকা:[/b] রাজনৈতিক অস্থিরতায় সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ঘটেছে ডিসেম্বর মাসে। এ সময় পয়েন্ট টু পয়েন্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশে, যা গত নভেম্বর মাসে ছিল ৭ দশমিক ১৫ শতাংশ। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য মতে, বিদ্যমান মূল্যস্ফীতি গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
আজ মঙ্গলবার পরিসংখ্যান ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
রাজনৈতিক অস্থিরতায় ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি আবারও বেড়েছে। এ সময়ে পয়েন্ট টু পয়েন্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশে, যা নভেম্বরে ছিল ৭ দশমিক ১৫ শতাংশ।
অন্যদিকে বেড়েছে খাদ্যপণ্যর মূল্যস্ফীতিও। ডিসেম্বর মাসে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ শতাংশে, যা নভেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ।
তবে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যর মূল্যেস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৪৪ শতাংশে, যা নভেম্বরে ছিল ৫ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।
সংবাদ সম্মেলনে পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল বলেন, হরতাল অবরোধ থাকলে গ্রাম থেকে যেমন ঢাকায় খাদ্য আসা ব্যাহত হয়, তেমনি খাদ্যবহির্ভূত পণ্য দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছাতে পারে না। এ কারণে মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব পড়ে।
চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গত কয়েক মাস ধরে বাড়তে থাকা খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার দুই অংকের ঘরে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে কি না জানতে চাইলে পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক বলেন, আশা করি তা হবে না। দেশে চালসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের যথেষ্ট মজুদ রয়েছে। পরিবহনের সংকট না থাকলে এটা দুই অংকে পৌঁছানোর কথা নয়।
বিবিএসের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২২ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৯২ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যেস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
শহরের সার্বিক মূল্যস্ফীতি অপরিবর্তিত রয়েছে। যা পয়েন্ট টু পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৫৮ শতাংশে। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ১৩ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
গোলাম মোস্তফা কামাল আরো বলেন, চাল, ডাল, মাছ, মাংস, ফল, মসলা, ভোজ্যতেল, দুধ ও অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী এবং তামাক জাতীয় দ্রব্যাদির মূল্য বাড়ায় মাসিক ভিক্তিতে নভেম্বর মাসের তুলনায় ডিসেম্বরে খাদ্য সামগ্রী উপখাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে শতকরা শূন্য দশমিক ৭৮ শতাংশ। যা নভেম্বর মাসে ছিল শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ।
গত অগাস্ট মাস থেকে ২০০৫-০৬ অর্থবছরকে ভিত্তিবছর ধরে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করছে পরিসংখ্যান ব্যুরো। এর আগে প্রায় এক বছর ১৯৯৫-৯৬ এবং ২০০৫-০৬ দুই ভিত্তিবছরের হিসাবেই মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করা হতো।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]
পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি,খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশে
ঢাকা: রাজনৈতিক অস্থিরতায় সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি ঘটেছে ডিসেম্বর মাসে। এ সময় পয়েন্ট টু পয়েন্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশে, যা গত নভেম্বর মাসে ছিল ৭ দশমিক ১৫ শতাংশ।
ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে মূল্যস্ফীতির চাপ ও দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী জনগোষ্ঠী চাপে থাকলেও সরকারের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং দারিদ্র্য হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাওয়া মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনার পাশাপাশি নতুন করে মানুষের দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়া ঠেকানো সম্ভব হবে।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় আবারও বাড়ল মূল্যস্ফীতি
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে দেশে মূল্যস্ফীতির নিম্নমুখী ধারা থেমে গেছে। সেপ্টেম্বর মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে।
মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষ: অর্থমন্ত্রী
মূল্যস্ফীতিতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতির চাপের পাশাপাশি কম কর আদায়, ব্যাংক খাতে আস্থা ফেরানো এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানো এসব চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনীতি যাচ্ছে।
বন্ডবাজারে বিক্রির হিড়িক, সুদ-ঋণ-মূল্যস্ফীতিতে সংকটে বিশ্ব অর্থনীতি
উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সুদের হার বৃদ্ধির সমূহ সম্ভাবনা এবং দীর্ঘদিনের ঋণের বোঝার মধ্যে বিশ্বজুড়ে বন্ডবাজারে বড় ধরনের বিক্রি চলছে। এর ফলে পরিবার ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপ বাড়ছে। একই সঙ্গে সরকারি অর্থব্যবস্থার ওপরও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বন্ডবাজারের এই পরিস্থিতি ইউরোজোন ও বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের ওপরও চাপ তৈরি করছে।
মুদ্রানীতি ঘোষণা: মূল্যস্ফীতির চাপ, কমল না নীতি সুদহার
মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও এর স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণে আসার বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এ কারণে অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০২৬ প্রান্তিকের মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার ৯ দশমিক ৫০ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
















