মাদারীপুর শহরের নূরজাহান সেলিম নিরাময় হাসপাতালে সীমা আক্তার নামে এক গর্ভবতী মায়ের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। চিকিৎসকের অবহেলার কারনেই অকালে প্রাণ হারালেন তিনি বলে জানা যায়।
সোমবার রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
সীমা আক্তারের দুলাভাই এমএ আকবর খোকা অভিযোগ করে জানান, রাত সাড়ে ১২টায় সীমা আক্তারের প্রসবব্যথা উঠলে রাত ১টার দিকে নিরাময় হাসপাতালে আনা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাৎক্ষণিক গাইনি চিকিৎসক নাসরীন রুবীকে খবর দেন। কিন্তু তিনি বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে রাত দেড়টার দিকে হাসপাতালে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
তবে এরই মধ্যে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রাত সোয়া ২টার দিকে সীমা আক্তারের মৃত্যু হয়। এ সময় তার আত্মীয়স্বজন নাসরীন রুবীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে তিনি কৌশলে পালিয়ে যান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সীমা আক্তার সদর উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের লাভলু মাতুব্বরের স্ত্রী। তিনি এক সন্তানের জননী।
আকবর খোকা আরো বলেন, নিরাময় হাসপাতালের চিকিৎসকের দায়িত্বে অবহেলার কারণে সীমা আক্তার মারা যান। তিনি অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিচার দাবি করেন।
এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত চিকিৎসক নাসরীন রুবী বলেন, আমি রাত ১টা ১০ মিনিটে ওই মহিলার যথাযথ চিকিৎসা দেই। কিন্তু অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ এবং রক্ত সংগ্রহ করতে না পারায় তিনি মারা যান। এতে দায়িত্বে অবহেলার কিছু হয়নি।
উল্লেখ্য, এর আগেও ওই হাসপাতালে চিকিৎসকের দায়িত্বে অবহেলার কারণে গর্ভবতী মায়েদের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিন্তু হাসপাতালের মালিক স্থানীয় প্রভাবশালী হওয়ায় কোনো বিচার হয়নি।
[b]ঢাকা, ১৫ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএইচ[/b]
শ্রেণীহীন
চিকিৎসকের অবহেলায় প্রাণ হারাল গর্ভবতী মা
মাদারীপুর শহরের নূরজাহান সেলিম নিরাময় হাসপাতালে সীমা আক্তার নামে এক গর্ভবতী মায়ের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। চিকিৎসকের অবহেলার কারনেই অকালে প্রাণ হারালেন তিনি বলে জানা যায়। সোমবার রাত ২টার দিকে এ





