[b]ঢাকা:[/b] মস্তিষ্কের রক্ত চলাচলে ব্যাঘাতের কারণে এই রোগ যেকোনো সময় যে কারও হতে পারে। একেবারে হঠাৎ করেই। স্ট্রোক হলে বাকশক্তি,দৃষ্টিশক্তিও হারিয়ে যেতে পারে। শরীরের যেকোনো অংশ অসাড়ও হতে পারে। সারাজীবন হয়তো বা হুইলচেয়ারে চলতে হতে পারে। তবে এটা নির্ভর করে মস্তিষ্কের কোন অংশে স্ট্রোক হয়েছে বা আঘাতটা কত বেশি তার ওপর। স্ট্রোকের লক্ষণ ও ঝুঁকি : মাথা ঘুরানো,হাঁটতে অসুবিধা হওয়া,চোখে ঘোলাটে দেখা এসব অসুবিধা দেখা দেয় স্ট্রোক হওয়ার আগে।
ডায়াবেটিস,অতিরিক্ত মোটা,উচ্চরক্তচাপ,ধূমপান,মদ্যপান,স্ট্রেস ইত্যাদি স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
এর থেকে রক্ষা পেতে নিয়মমতো চলতে হবে, খাওয়া-দাওয়া বুঝে শুনে করতে হয়। করতে হয় নিয়মিত ব্যায়াম। এড়িয়ে চলতে হয় বাড়তি স্ট্রেস। কারণ যদি কারো দ্বিতীয়বার স্ট্রোক হয় তাহলে পরিণতি মারাত্মক হতে পারে। কাজেই প্রথমবার স্ট্রোক হওয়ার পর থেকে সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। নিয়মিত ব্লাডপ্রেশার মাপা প্রয়োজন এবং হাসিখুশি থাকাটাও জরুরি।
শ্রেণীহীন
স্ট্রোক থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়
ঢাকা: মস্তিষ্কের রক্ত চলাচলে ব্যাঘাতের কারণে এই রোগ যেকোনো সময় যে কারও হতে পারে। একেবারে হঠাৎ করেই। স্ট্রোক হলে বাকশক্তি,দৃষ্টিশক্তিও হারিয়ে যেতে পারে। শরীরের যেকোনো অংশ অসাড়ও হতে পারে। সারাজীবন হয়তো বা হুইলচেয়ারে চলতে হতে পারে। তবে এটা নির্ভর করে মস্তিষ্কের কোন অংশে স্ট্রোক হয়েছে বা আঘাতটা কত বেশি তার ওপর।





