[b]কায়রো:[/b] মিশরের নয়া সংবিধানের ওপর মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে দু’দিনব্যাপী বিতর্কিত গণভোট। প্রধান বিরোধী দলগুলোর নির্বাচন বর্জন ও বানচালের হুমকির কারনে সারা দেশে সাড়ে তিন লাখ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে
এ গণভোটকে সামনে রেখে বিক্ষোভ দেখানোর ব্যাপারে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মুরসির সমর্থকদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মিশরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুহাম্মদ ইব্রাহিম সোমবার বলেছেন, গণভোট বানচাল করার যেকোনো প্রচেষ্টা রুখে দিতে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেন, ভোট বানচালের প্রচেষ্টা সর্বোচ্চ শক্তি ও দৃঢ়তা দিয়ে প্রতিহত করা হবে। মিশরের জনগণের 'আশা-আকাঙ্ক্ষা' বাস্তবায়নের পথে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী কোনো কাজ সহ্য করা হবে না।
গণভোটের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য মিশরের সর্বত্র সেনাবাহিনী ও পুলিশের অন্তত ৩,৫০,০০০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তাদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা দিতে মাঠে থাকবে সাঁজোয়া যান ও হেলিকপ্টার গানশিপ। মুরসির সমর্থক ইখওয়ানুল মুসলিমিন গণভোটের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখানোর ঘোষণা দেয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এ হুমকি দেয়া হল।
ইখওয়ানসহ প্রধান প্রধান কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও যুব সংগঠন গণভোট বানচালের হুমকি দিয়েছে। এ ভোটে অংশগ্রহণ না করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মিশরের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল ইখওয়ান। দলটি এ গণভোট বাতিল করে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মুরসিকে পুনর্বহালের দাবি জানাচ্ছে।
মুরসির শাসনামলে মিশরের প্রণীত সংবিধানে আমূল পরিবর্তন এনেছে বর্তমান সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। অনেকে বলছেন, এ সংবিধান আবার হোসনি মুবারকের যুগে ফিরে যাওয়ার পথ সুগম করবে। নতুন সংবিধানে সেনাবাহিনীকে অনেক বেশী ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।