প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্ত্রাসবিরোধী নীতিতে সুবিধা পেয়েছে ভারত। শনিবার ভারতীয় দৈনিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত এক সম্পাদকীয়তে এ কথা বলা হয়েছে। ‘হাসিনাস এন্টি-টেরর পলিসি পেস ডিভিডেন্ডস টু ইন্ডিয়া’ নামক সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ভারতের সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী নীতি গ্রহণ করেছেন।
হাসিনার এ নীতিতে শুরু হয়েছে উলফার পতন। মিয়ানমারেও রয়েছে উলফার ঘাঁটি। এখন সেখানে উলফা যেন কোন সুবিধা না পায় সে বিষয়ে সম্ভাব্য সব করা উচিত ভারতের।
সম্পাদকীয়টিতে আরও বলা হয়, ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম (উলফা) নেতা পরেশ বড়ুয়া ও অন্য ১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের একটি বিশেষ আদালত। তাদের এ শাস্তি দেয়া হয়েছে শুধু দেশের স্বার্থে। এমন শাস্তি দেয়ার পিছনে কারণ হলো, পরেশ বড়ুয়া ও তার ক্যাডাররা বর্তমানে আর বাংলাদেশে নেই। ধারণা করা হয় তারা এখান থেকে ঘাঁটি পরিবর্তন করেছে। ২০০৪ সালে বাংলাদেশে ১০ ট্রাক অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচার করার কারণে তাদের শাস্তি দেয়া হয়েছে।
ঢাকা যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীল অবস্থান নিয়েছে এ রায় তা প্রমাণ করতে যতটুকু দরকার তার চেয়েও বেশি। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপগুলোর বিরুদ্ধে যে লড়াই করছে ভারত, বাংলাদেশের সর্বশেষ এই ঘটনা তার প্রতি সমর্থন প্রকাশ করে। এর আগে উলফার বেশ কিছু শীর্ষ স্থানীয় নেতা আশ্রয় নিয়েছিলেন বাংলাদেশে। তাদেরকে ভারতের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। সীমান্তের বাইরে থেকে সমর্থন পাচ্ছে এমন একটি গ্রুপের উদাহরণ হলো উলফা।
আসামে উন্নয়নে ঘাটতি রয়েছে, এ ছাড়া আসামকে ভেঙে নতুন নতুন রাজ্য সৃষ্টির জন্য যে ধারণা আছে তা পুঁজি করে বিস্ফোরণ ঘটানোর সামর্থ্য আছে তাদের। তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যেমনটা বলে তৃণমূল থেকে কখনই তেমন সমর্থন পায়নি। এ জন্যই তারা ঢাকা থেকে সমর্থন পেয়েছে তাদের কাছ থেকে যারা এসব ব্যক্তিকে ভারতের হাতে তুলে দিতে পছন্দ করেনি। যখনই ভারতে উত্তাপ অনুভব করেছে উলফা তখনই তারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে গেছে এবং বান্ধব একটি পরিবেশে স্বস্তি অনুভব করেছে। প্রকৃতপক্ষে, অনেক ক্ষেত্রে তারা এখান থেকে হামলা পরিকল্পনা করেছে এবং তা বাস্তবায়ন করেছে।
এ পরিস্থিতি কেবল তখনই পরিবর্তিত হয়েছে যখন আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ফেরেন। যারা ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালিত করে সেই সব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে তিনিও একই সুরে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এই নীতির কারণে উলফার পতন শুরু হয়।
পরেশ বড়ুয়ার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় থাকায় তিনি কখনও বাংলাদেশে পা রাখতে সক্ষম হবেন না বলে উল্লেখ করেছে পত্রিকাটি। উলফা'র প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। এখনও তিনি রাজ্যে বিচ্ছিন্ন রাজ্য সৃষ্টির পক্ষে। এটা দুঃখজনক বিষয় যে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আরও সমর্থন পায় মিয়ানমার থেকে। মিয়ানমারকে যেন তারা নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে সে বিষয়ে মিয়ানমারকে রাজি করাতে সম্ভাব্য সব করা উচিত নয়া দিল্লির। সূত্র: ইনডিয়ান এক্সপ্রেস
ঢাকা, ২ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএমএ
শ্রেণীহীন
হাসিনার সন্ত্রাসবিরোধী নীতিতে ভারতের সুবিধা: ইনডিয়ান এক্সপ্রেস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্ত্রাসবিরোধী নীতিতে সুবিধা পেয়েছে ভারত। শনিবার ভারতীয় দৈনিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত এক সম্পাদকীয়তে এ কথা বলা হয়েছে। ‘হাসিনাস এন্টি-টেরর পলিসি পেস ডিভিডেন্ডস টু ইন্ডিয়া’ নামক সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ভারতের সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী নীতি গ্রহণ করেছেন।





