নরসিংদীর পূবালী জুট মিল লে অফের কৌশলে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে করে কারখানায় কর্মরত প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। এদিকে কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হলেও শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ করেননি মিল কর্তৃপক্ষ।
সোমবার দুপুরে মিলের প্রধান ফটকের সামনে বকেয়া বিল ও গ্যাচ্যুইটি পরিশোধের দাবিতে বিক্ষোভ করে শ্রমিকরা।
কারখানা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৩০ অক্টোবর মিল কর্তৃপক্ষ লোকসানের অজুহাতে মিলটি ১৪ দিনের লে-অফ ঘোষণা করে। নিদিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর কারখানা কর্তৃপক্ষ একাধিকবার সময় বৃদ্ধি করে। এরই মধ্যে মিল কর্তৃপক্ষ কারখানাটি স্থায়ীভাবে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়।
খবর পেয়ে শ্রমিক নেতাদের মালিকদের সাথে যোগাযোগ করলে মালিক পক্ষ ৯০ দিনের মধ্যে তাদের বকেয়া বেতন ও গ্রাচ্যুইটির ৮ কোটি টাকা পরিশোধের আশ্বাস দেন। এ ব্যাপারে শ্রমিক ও মালিক পক্ষের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তিনামা স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়, শ্রম আইনের সর্বশেষ সংশোধনী ২২ জুলাই ২০১৩ অনুযায়ী গ্রাচ্যুইটি প্রদান করা হবে। একই নিয়মে শ্রমিক কর্মচারীদের মজুরী ও বকেয়া বিল পরিশোধ করা হবে। এরই পেক্ষিতে গত ২২ ফেব্রুয়ারী মিলের ৮৫০ জন স্থায়ী শ্রমিক ও কর্মচারীকে চাকুরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এদিকে জানা যায়, কারখানা বন্ধের দীর্ঘ ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও মালিকপক্ষ শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ না করায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ সোমবার দুপুরে কয়েক শ শ্রমিক মিলের গেইটের সামনে সমবেত হয় এবং তারা বকেয়া পরিশোধের দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
এ বিষয়ে পূবালী জুট মিলের ব্যবস্থাপক খন্দকার আলতাফ হোসেন বলেন, শ্রমিকদের মজুরী, বকেয়া ও গ্রাচ্যুইটি বিলের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তালিকা প্রস্তুতি শেষ হলেই ৯০ কার্য দিবসের মধ্যে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা হবে। তিনি আরো বলেন, ৯০ কার্য দিবস শেষ হতে আরো ১ মাস বাকি রয়েছে। সময় শেষ হওয়ার পূর্বে অহেতুক আন্দোলন করলে মালিকদের সাথে শ্রমিকদের সম্পর্কে ফাটল ধরবে।
[b]ঢাকা, ৬ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
শ্রেণীহীন
নরসিংদীর পূবালী জুট মিল স্থায়ীভাবে বন্ধ
নরসিংদীর পূবালী জুট মিল লে অফের কৌশলে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে করে কারখানায় কর্মরত প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। এদিকে কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হলেও শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ করেননি মিল কর্তৃপক্ষ।





