৬ষ্ঠ দফায় গতকাল সোমবার ১২টি উপজেলার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এ নির্বাচনে অনিয়ম ও জাল ভোটের মাত্রা বিগত ৫ দফার নির্বাচনকেও অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী বেসরকারি সংগঠন ব্রতী।
সোমবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো ব্রতী'র এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়।
ব্রতীর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবারের নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। আর সরকার দলীয় সমর্থক প্রার্থীদের পক্ষে কেন্দ্র দখল করে একচেটিয়া সিল মারতে দেখা গেছে। এ সময় সন্ত্রাসী হামলা ও গোলাগুলির ঘটনাও ঘটেছে।
এর মধ্যে কুমিল্লা সদর (দক্ষিণ) উপজেলার ১১টি কেন্দ্রের নাম উল্লেখ করে বলা হয়, সেখানে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থীর কর্মীরা কেন্দ্র দখল করে একচেটিয়া সিল মেরেছেন। পিপুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বলরামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়া নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। সংঘর্ষের কারণে কুমিল্লা সদর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হয়।
এ ছাড়া সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইসলামিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থীর কর্মীরা কেন্দ্র দখল করেন। পরে বিজিবির সদস্যরা তাঁদের হটিয়ে দেন। রংপুরের হারাগাছে সুবর্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থক-কর্মীদের সংঘর্ষে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আহত হন৷
ব্রতী আরো জানায়, এসব কেন্দ্রে নির্বাচন কমিশনের কোনো কর্মকর্তা বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাউকে পাননি তাদের পর্যবেক্ষকেরা।
উল্লেখ্য, ১২ টি উপজেলার ভোটকেন্দ্র গুলোতে ব্রতীর নিজস্ব পর্যবেক্ষক ছিল।
[b]ঢাকা, এএম ,২০ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ
[/b]





