৪র্থ উপজেলা নির্বাচনে তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত ৮১ টি উপজেলার মধ্যে এখন পর্যন্ত চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে ৭৯ টি উপজেলার ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত ৩৬ প্রার্থী, বিএনপি সমর্থিত ২৯ প্রার্থী, জামায়াত সমর্থিত ৮ প্রার্থী ও অন্যান্য প্রার্থী ৬ জন। এছাড়া ২টি উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
[b]বিজয়ী হলেন যারা:[/b]
[b]আওয়ামী লীগ:[/b] শাহজাহান শিশির (চাঁদপুরের কচুয়া), নজরুল ইসলাম (রাজশাহীর দুর্গাপুর), আমজাদ হোসেন (যশোরের মনিরামপুর), শওকত আলী (কুড়িগ্রামের চিলমারী), শাহাদাত হোসেন (ফরিদপুরের ভাঙ্গা), আবদুস সোবহান (কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম), দিদারুল কবির রতন (ফেনীর দাগণভুঞা), মুজিবুর রহমান (বাগেরহাট সদর), শাহ-ই আলম (বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জ), আবু সাঈদ (বাগেরহাটের রামপাল)।
আবুল হোসেন দফাদার (ফরিদপুর সদর), মোশাররফ হোসেন (ভোলা সদর), মোহাম্মদ মজনু (ময়মনসিংয়ের ধোবাউড়া), আনোয়ারুল ইসলাম (নওগাঁর পোরশা), আকুজার রহমান (নীলফামারী সদর), আবদুর রশীদ (চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ), কামরুল আহসান (নেত্রকোনা সদর), আবু জাহিদ (সিলেটের দক্ষিণ সুরমা), আইয়ুব আলী (কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর)।
রফিকুল ইসলাম (মৌলভীবাজারের বড়লেখায়), আশরাফ হোসেন খোকন (শেরপুরের শ্রীবরদী), সৈয়দ ফয়জুল আমিন (নড়াইলের লোহাগাড়া), আবুল কালাম আজাদ (জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ), আবুল হাশেম (শরীয়তপুর সদর), শামসুদ্দিন কালু (নাঙ্গলকোট), ফরিদুল ইসলাম (দিনাজপুর), আল-মামুন (চট্টগ্রামের সীতাকু-), তরিকুল আহসান (বরিশালের মুলাদী), গাজী গোলাম মোস্তফা (গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া), কামাল উদ্দিন আকন্দ (বাগেরহাটের শরণখোলা), মজিবুর রহমান (কুড়িগ্রামের রৌমারী)।
মীর ফারুক আহমেদ (টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী), শেখ ওয়াহিদুজ্জামান (সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ), খালেদ হোসেন (বরিশাল বাবুগঞ্জ), জাহাঙ্গীর আলম (কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া), শফিক আজিজ (ফরিদপুরের সদরপুর), ইসমাইল হক (শরীয়তপুরের নড়িয়া), পনির উদ্দিন আহমেদ (কুড়িগ্রাম সদর), এমএম জালাল উদ্দিন (ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা), এসএম চৌধুরী (রাঙামাটির কাউখালী) ও আবু তাহের (বাগেরহাটের মংলা)।
[b]বিএনপি:[/b] তায়েবুর রহমান (ময়মনসিংহের গৌরীপুর), আবুল কালাম আজাদ (নোয়াখালীর সেনবাগ), আজিজুর রহমান (ময়মনসিংয়ের ফুলবাড়িয়া), সালাহউদ্দিন সরকার (কুমিল্লার তিতাস), ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর), শামসুল আলম (সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ), আনোয়ারুল ইসলাম (চাপাইয়ের ভোলাহাট), মোহাম্মদ ইসহাক (রাজশাহীর গোদাগাড়ী), মিজানুর রহমান (কুমিল্লার বুড়িচং), আবু সাঈদ (রাজশাহীর চারঘাট)।
মো. ওয়াহিদুজ্জামান (পিরোজপুরের নেসারাবাদ), আজিজুর রহমান (কুমিল্লার হোমনা), আবুল বাসার আকন্দ (ময়মনসিংয়ের ফুলপুর), এ এস ফেরদৌস আহমেদ (টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার), আজিজুর রহমান (ফরিদপুরের মধুখালী), খন্দকার লিয়াকত হোসেন (মানিকগঞ্জের ঘিওর), বাবর আলী (খুলনার পাইকগাছা)।
আইয়ুব আলী (লালমনিরহাটের আদিতমারী), বাদল আমিন (ফরিদপুরের চরভদ্রাসন), শরীফুল ইসলাম শরীফ (কিশোরগঞ্জ সদর) আ খ ম শফিকুল হক (নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ), শামসুল আলম (লক্ষ্মীপুরে কমলনগর), নুরুল ইসলাম (ঠাকুরগাওয়ের হরিপুর), কামরুজ্জামান কমল (জয়পুরহাটের আক্কেলপুর), আবদুল কুদ্দুছ (বান্দরবান সদর) আবুল কালাম আজাদ (বান্দরবানের আলী কদম) ও নুরুল মিল্লাত (কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর)।
[b]জামায়াত:[/b] আবদুর রশীদ (নওগাঁর মান্দা), নূরে আলম সিদ্দিকী (দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ), সাইদুর রহমান (গাইবান্ধার সাদুল্লাহপুর), আজিজুর রহমান (চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা), মাওলানা মো. আব্দুল করিম (গাইবান্ধা সদর), মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন (নওগার ধামুরহাট), কেরামত আলী (চাঁপাইয়ের শিবগঞ্জ) ও মোখলেসুর রহমান (চাঁপাই সদর)।
[b]অন্যান্য:[/b]জেএসএস (সন্তু): রাঙ্গামাটির বরকলে মনি চাকমা ও বাঘাইছড়িতে ধর ঋষি। এলডিপি: চট্টগ্রামের চন্দনাইশ।
[b]স্থানভেদে ফলাফল:[/b]
[b]টুঙ্গিপাড়া:[/b] প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংসদীয় আসন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গাজী গোলাম মোস্তাফা বিজয়ী হয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী সোলায়মান বিশ্বাসকে হারিয়েছেন।
[b]ময়মনসিংহ:[/b] ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছেন বিএনপি-সমর্থিত আবুল বাশার আখন্দ। তিনি হারিয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আতাউল করিম রাসেলকে।
[b]মান্দা:[/b] নওগাঁর মান্দা উপজেলায় জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী আবদুর রশীদ বেসরকারীভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন।
[b]ধামুইরহাট, নওগাঁ: [/b]নওগাঁর ধামুইরহাটে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মো. মঈনউদ্দিন বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন।
[b]আক্কেলপুর:[/b] জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী কামরুজ্জামান কমল চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন। মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৮৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর পেয়েছেন ৩৪ হাজার ১২৬ ভোট। তিনি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়েছেন।
[b]দিনাজপুর সদর:[/b] দিনাজপুরের সদরে আওয়ামী লীগের কবিরুল ইসলাম ৭০ হাজার ৮শ ৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মোকারম হোসেন পেয়েছেন ৬০ হাজার ৬শ ২৮ ভোট।
[b]নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর: [/b] দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী নূরে আলম সিদ্দিকী বিজয়ী হয়েছেন।
[b]শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ:[/b] চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী কেরামত আলী বেসরকারীভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন।
[b]চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর:[/b] চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মোখলেছুর রহমান বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন।
[b]গাইবান্ধা সদর:[/b] গাইবান্ধা সদর উপজেলায় জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা মো. আব্দুল করিম দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫৯৬৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সরওয়ার কবির ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩১৫১৬ ভোট।
[b]সাদুল্যাপুর:[/b] গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সাইদুর রহমান মুন্সি (কাপ পিরিচ) ৪৮,১২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার সমর্থক শাহরিয়ার খান বিপ্লব(আনারস) পেয়েছেন ৪৪,৩৪৬ ভোট।
[b]দামুড়হুদা:[/b] চুয়াডাঙ্গা জেলার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা আজিজুর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ৫৮ হাজার একশ’ ৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ আজাদুল ইসলাম আজাদ কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৮ হাজার নয়শ’ ২৩ ভোট।
[b]দক্ষিণ সুরমা, সিলেট:[/b] সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আবু জাহিদ (ঘোড়া) ৩০ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী ১৯ দলের প্রার্থী জামায়াত নেতা মাওলানা লোকমান আহমদ (মোটর সাইকেল) পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩৩৭ ভোট।
একটি কেন্দ্র স্থগিত থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে বেশি ভোটে এগিয়ে থাকায় জাহিদ বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বলে উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানিয়েছে।
[b]বড়লেখা:[/b] মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম সুন্দর কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২৯ হাজার ৯শ’ ৪৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত এমাদুল ইসলাম দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৮ হাজার ২২৬ ভোট।
[b]বুড়িচং:[/b] কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১৯ দলীয় জোট প্রার্থী বিএনপির এটিএম মিজানুর রহমান টেলিফোন প্রতীকে ৪৩ হাজার ৯৬০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাজ্জাদ হোসেন স্বপন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৩৪২ ভোট।
[b]ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা:[/b] কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২৭ হাজার ৪৩৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১৯ দলীয় জোট প্রার্থী সামছুল আলম টেলিফোন প্রতীকে পেয়েছেন ২১ হাজার ৫০৪ ভোট।
[b]শরীয়তপুর সদর: [/b]শরীয়তপুরের সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আবুল হাশেম তপদার। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৪৬, ৯৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত মাহবুব মোর্শেদ টিপু পেয়েছেন ১১০১৪ ভোট। তিনি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। এ উপজেলায় ভোট কেন্দ্র ৫৮টি। মোট ভোটার সংখ্যা ১৩২০৯২।
[b]নড়িয়া, শরীয়তপুর:[/b] শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এ কে এম ইসমাইল হোসেন। মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৪৮ হাজার ১১৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন খান পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৫ ভোট। তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে লড়েছেন।
[b]জামালপুর:[/b] জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে আ.লীগের মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ (দোয়াত-কলম) ৫৭ হাজার ২৯৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহ মনিরুল ইসলাম মনির (আনারস) পেয়েছেন ৫১ হাজার ২৩২ ভোট।
[b]ঘিওর:[/b] মানিকগঞ্জের ঘিওরে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী খন্দকার লিয়াকত হোসেন। তিনি পেয়েছেন ২১ হাজার ৭৪৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব পেয়েছেন ১২ হাজার ৯০৮ ভোট।
[b]শ্রীবরদী:[/b] শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. আশরাফ হোসেন খোকা আনারস প্রতীক নিয়ে ২৮ হাজার ৫১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুর রহিম দুলাল কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৭৪৮ ভোট।
[b]দেলদুয়ার, টাঙ্গাইল: [/b]টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী এস এম ফেরদৌস আহমেদ মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ৩৯ হাজার ৪৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল কালাম সিদ্দিকী (মঈন সিদ্দিকী) আনারস প্রতীক পেয়েছেন ২১ হাজার ৫৯২ ভোট।
[b]ধনবাড়ি, টাঙ্গাইল:[/b] টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী মীর ফারুক আহমাদ ফরিদ দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে ৩১ হাজার ৪৪৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী হাবিবুল্লাহ ফকির ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ২৪ হাজার ৬৪৮ ভোট।
কি শোরগঞ্জ সদর:কিশোরগঞ্জ সদরে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শরিফুল ইসলাম। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৬১ হাজার ৫৯৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আশফাকুল ইসলাম টিটু পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৯৭৮ ভোট। তিনি কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে লড়েছেন।
[b]কুলিয়ারচর, কিশোরগঞ্জ:[/b] কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় ৪৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৪টি কেন্দ্রের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী নুরুল মিল্লাত (দোয়াত কলম) পেয়েছেন ৪২ হাজার ৩৭৩ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সৈয়দ হাসান শাহরিয়ার মহসিন (আনারস) পেয়েছেন ৩০ হাজার ২৪২ ভোট।
[b]চরভদ্রাসন:[/b] ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী এজিএম বাদল আমিন দোয়াত-কলম প্রতীকে ৮ হাজার ৩২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশাররফ হোসেন মুসা টেলিফোন প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৯০৫ ভোট।
[b]আলফাডাঙ্গা:[/b] ফরিদপুরের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী এম এম জালালউদ্দিন আহম্মেদ। হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১৯ হাজার ১৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত মকিবুল হাসান পটু আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৪১ ভোট।
[b]সদরপুর:[/b] ফরিদপুরের সদরপুরে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী কাজী শফিকুর রহমান কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে ৩৩ হাজার ২৮০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এইচ এম শাহেদিদ গামাল লিপু দোয়াতা-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৭৯১ ভোট।
[b]মংলা:[/b] বাগেরহাটের মংলা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আবু তাহের হাওলাদার বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি চিংড়ি মাছ প্রতীক পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মোল্যা আ. জলিল ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩২৯ ভোট।
[b]বাঘাইছড়ি:[/b] রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় জেএসএস (সন্তু) প্রার্থী বড় ঋষি চাকমা দোয়াত-কলম প্রতীক পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১৯ হাজার ২৭১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেএসএস (এমএন লারমা) সুদর্শন চাকমা ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ২১৬ ভোট।
[b]বরকল:[/b] রাঙামাটির বরকল উপজেলায় ৯ হাজার ৩৮০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জেএসএস (সন্তু) প্রার্থী মনি চাকমা (হেলিকপ্টার)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সন্তোষ চাকমা (দোয়াত-কলম) পেয়েছেন ৬ হাজার ১৬৭ ভোট।
[b]কাউখালী: [/b]রাঙামাটির কাউখালী উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এসএম চৌধুরী পেয়েছেন ১৩ হাজার ৫০৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্জুন মনি চাকমা পেয়েছেন ১১ হাজার ৫০৮ ভোট।
[b]বান্দরবান:[/b] বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত আবদুল কুদ্দুস চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেছেন। মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে আবদুল কুদ্দুস পেয়েছেন ১১ হাজার ১৯১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু লারমা) প্রার্থী উ উইন মং জলি আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৯ হাজার ১৩১ ভোট।
[b]আলীকদম: [/b]বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আবুল কালাম চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেছেন। তিনি দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ৩৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জামাল উদ্দীন কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৬৮ ভোট।
[b]মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা:[/b] নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় বিএনপির প্রার্থী আকম শফিকুল হক আনারস প্রতীক নিয়ে ২৮ হাজার ৪২৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী লতিফুর রহমান রতন। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে মোট ভোট পান ২২ হাজার ২৫টি।
[b]আগের দুই দফার ফলাফল:[/b]
প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে ২১৩টি উপজেলার মধ্যে বিএনপি ৯৫টি, আওয়ামী লীগ ৮২টি, জামায়াত ২০টি এবং জাতীয় পার্টি ২টি উপজেলার চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়। বাকিগুলোতে অন্যান্য প্রার্থীরা বিজয়ী হয়।
[b]ঢাকা, ১৬ মার্চ (টাইম নিউজবিডি.কম)//এএইচ // কেবি//জেইউ[/b]
শ্রেণীহীন
৭৯ উপজেলায় বেসরকারী ফলাফল, আ.লীগ ৩৬, বিএনপি ২৯, জামায়াত ৮, অন্যান্য ৬, স্থগিত ২
৪র্থ উপজেলা নির্বাচনে তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত ৮১ টি উপজেলার মধ্যে এখন পর্যন্ত চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে ৭৯ টি উপজেলার ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত ৩৬ প্রার্থী, বিএনপি সমর্থিত ২৯ প্রার্থী, জামায়াত সমর্থিত ৮ প্রার্থী ও অন্যান্য প্রার্থী ৬ জন। এছাড়া ২টি উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।





