কারাগারের পর এবার থানা থেকেই ক্রিমিনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিডিএমএস) তৈরির কাজ করছে পুলিশ। আর এজন্য আটক অপরাধীদের ফিঙ্গার প্রিন্ট, ছবি, শরীরের কোনো অংশের বিশেষ চিহ্ন, হাতের ছাপ, পায়ের ছাপসহ অন্যান্য সব ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে রাজধানীর প্রতিটি থানায় উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানান, এর আগে থানায় তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের শুধু ছবি তুলে রাখা হতো। কিন্তু বর্তমানে ফ্রিঙ্গার প্রিন্ট, শরীরে দাগ বা চিহ্ন আছে কিনা সবকিছু পরীক্ষা করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে অপরাধী শনাক্ত ও অপরাধীদের ব্যাপারে ডাটাবেজ তৈরির জন্যই এই ব্যবস্থা বলে জানান তারা।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতরা গ্রেপ্তারের পর সহজেই জামিনে মুক্তি পেয়ে আবার একই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। বেশির ভাগ সময়ে এসব অপরাধী নিজেদের নাম-ঠিকানা গোপন করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালায়। কিন্তু এই ডাটাবেজের কারণে তারা মিথ্যা বললেও সহজেই ধরা পড়ে যাবে।
এছাড়াও সন্ত্রাসীদের নামের সঙ্গে মিল থাকায় অনেক নিরীহ লোক ভোগান্তি পোহান। অপরাধীদের ডাটাবেজ থাকায় এখন আর এ ভোগান্তি নেই বললেই চলে। আগে শুধু কারাগারে থাকা অপরাধীদের ফিঙ্গার প্রিন্টসহ যাবতীয় তথ্য নিয়ে ডাটাবেজ তৈরি করা হতো। কিন্ত বর্তমানে থানা থেকেও এ ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান জানান, ঢাকা মহানগর পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ সন্ত্রাসী অপরাধীদের ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করার কাজ অব্যাহত রেখেছে। ইতিমধ্যে যে সব সন্ত্রাসী ও অপরাধী ধরা পড়েছে তাদের এসব কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া নতুন যারা আটক হচ্ছে তাদেরকেও এই ডাটাবেজের আওতায় আনা হচ্ছে। আর এই ডাটাবেজের নাম হচ্ছে ক্রিমিনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিডিএমএস)।
তিনি বলেন, এই সিডিএমএস পদ্ধতিতে অপরাধীদের নাম-ঠিকানা ছাড়াও অতীত রেকর্ড, ছবি, শরীরের কোনো অংশের বিশেষ চিহ্ন, হাতের ছাপ, আঙ্গুলের ছাপ, চোখ, পায়ের ছাপ এমনকি সন্দেহভাজন পৃষ্ঠপোষকদের নামও উল্লেখ করা থাকেব।
[b]ঢাকা, ২৮ মে(টাইমনিউজবিডি.কম)//এনএস[/b]
শ্রেণীহীন
অপরাধীদের জন্য এবার পুলিশের ক্রিমিনাল ডাটাবেজ
কারাগারের পর এবার থানা থেকেই ক্রিমিনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিডিএমএস) তৈরির কাজ করছে পুলিশ। আর এজন্য আটক অপরাধীদের ফিঙ্গার প্রিন্ট, ছবি, শরীরের কোনো অংশের বিশেষ চিহ্ন, হাতের





