[b]ঢাকা: [/b]সাম্প্রতিক সময়ের হরতাল-অবরোধের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে রফতানি বাণিজ্যে। চলতি অর্থ বছরের (২০১৩-১৪) প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই- নভেম্বর) আগের অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল ১৮ দশমিক দুই শতাংশ। ডিসেম্বর শেষে এ প্রবৃদ্ধি ১৬ দশমিক ৫৬ শতাংশে নেমে এসেছে। সামনের মাসগুলোতে রফতানি প্রবৃদ্ধি আরো কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি অর্থ বছরের প্রথম ছয় মাসে এক হাজার ৪২৪ কোটি ৬৫ লাখ ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এক হাজার ৪৬৮ কোটি ৫৮ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। অর্থাত্ নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে তিন দশমিক আট শতাংশ বেশি রফতানি হয়েছে। আর একক মাস হিসেবে ডিসেম্বরে ২৭২ কোটি ৬২ লাখ ডলারের রফতানি হয়েছে। যা গত অর্থ বছরের একই মাসের তুলনায় ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশ বেশি।
ইপিবির পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, তালিকভুক্ত পণ্যের মধ্যে অনেক পণ্যই নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রফতানি হয়নি। তবে রফতানি আয়ে বড় ভূমিকা পালনকারী ওভেন ও নীটওয়্যার খাতে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ ও প্রবৃদ্ধি অনেক বেশি হওয়ায় সার্বিক রফতানি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। আলোচ্য সময়ে আগের অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় নীটওয়্যার খাতের রফতানি ১৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়েছে। এ খাতে ৫৯৪ কোটি ৮৬ লাখ ডলারের রফতানি হয়েছে। যা অর্থ বছরের প্রথম ছয় মাসের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ দশমিক দুই শতাংশ বেশি। আর ওভেন পোশাক খাতে রফতানি হয়েছে ৫৯৮ কোটি ৩৫ লাখ ডলারের। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এক দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি এবং গতবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেশি। স্পেশালাইজড টেক্সটাইল ও হোম টেক্সটাইল খাতে লক্ষ্যমাত্রা ও প্রবৃদ্ধি অর্জনের দিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। আলোচ্য সময়ে রফতানি আয়ে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে হিমায়িত খাদ্য, কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য, উৎপাদন সামগ্রী, চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য, কম্পিউটার সার্ভিস, ফুটওয়্যার প্রভৃতি।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]
শ্রেণীহীন
রফতানি প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব
ঢাকা: সাম্প্রতিক সময়ের হরতাল-অবরোধের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে রফতানি বাণিজ্যে। চলতি অর্থ বছরের (২০১৩-১৪) প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই- নভেম্বর) আগের অর্থ বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল ১৮ দশমিক দুই শতাংশ। ডিসেম্বর শেষে এ প্রবৃদ্ধি ১৬ দশমিক ৫৬ শতাংশে নেমে এসেছে।





