[b]কিশোরগঞ্জ[/b]: জেলার তাড়াইল উপজেলার কাজলা আলিম মাদরাসা কেন্দ্রে বেলা ১টার দিকে গিয়ে দেখা যায় প্রায় ৯০ ভাগ ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রে কোন ভোটারের উপস্থিতি দেখা যায়নি।
কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের নির্বাচনে রোববার করিমগঞ্জ ও তাড়াইলের বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে বেলা ১টা পর্যন্ত শতকরা আট থেকে ১০ ভাগ ভোট পড়েছে।
করিমগঞ্জের জাফরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়, কিরাটন উচ্চবিদ্যালয়, সাকুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রায় ২৩ টি কেন্দ্রে দুপুর ১ টা পর্যন্ত ভোটের ওই হাল দেখা যায়।
কাজলা আলিম মাদরাসা কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আবদুল কুদ্দুস জানান, কেন্দ্রের দুই হাজার ১১৯ ভোটের মধ্যে এক হাজার ৮০০ ভোট বেলা ১ টার মধ্যেই কাস্ট হয়েছে।      অন্যদিকে কাজলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্রে ভোট আছে তিন হাজার ৫৫৯। বেলা ১টা ১০ মিনিটে দুই হাজার ৩০০ ভোটার তাঁদের ভোট দিয়ে দিয়েছেন।
এ ঘটনা সারা এলাকায় চাঞ্চল্য ও বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।
সরেজমিনে গিয়ে কোনো ভোটার দেখা যায়নি। ভোটার কোথায়, জানতে চাইলে প্রিসাইডিং অফিসার আবদুল কুদ্দুস বলেন, সবাই আগেভাগে ভোট দিয়ে চলে গেছেন। এ জন্য কেনো ভোটার দেখা যাচ্ছে না।
পোলিং অফিসার মুজাহিদুল ইসলাম জানান, সবাই ভোট দিয়ে চলে গেছে। এ জন্য কেন্দ্রে কেউ নেই।
রোববার ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল আটটায়। পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে বিপুলসংখ্যক ভোট পড়ার ঘটনাটি সাভাবিক ভাবে নিতে পারছেন না এলাকার সচেতন ভোটারগণ।
সময়ের হিসাবে দেখা যায় কাজলা আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে প্রতি ছয় সেকেন্ডে একটি করে ভোট পড়েছে। কাজলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতি আট সেকেন্ডে পড়েছে একটি করে ভোট ।

করিমগঞ্জের আরেকটি কেন্দ্র নেয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা যায়  কেন্দ্রের ২৫১৭ ভোটের মধ্যে মাত্র ২০৯টি ভোট পড়েছে। প্রিসাইডিং অফিসার আতাউর রহমান এ তথ্য জানান।
নেয়ামতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা ফারুক নাদিম জানান, লোকজন দুপুরের পরে আসবে।
আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুল হক বলেন, ১৯৮৬-এর মতো এবার ভোট ডাকাতি হয়েছে। আমার পোলিং এজেন্ট মৃত্যুভয়ে কেন্দ্রে যায়নি।
শুধু  মুজিবুল হক চুন্নুর কেন্দ্রে নয়, করিমগঞ্জের ৭৮টি এবং তাড়াইলের ৪২টি কেন্দ্রে তার  লোকজন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা-কর্মীদের নিয়ে ভোট ডাকাতি করেছে।