ঠাকুরগাঁও সরকারি মহিলা কলেজের হোস্টেল থেকে এক ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার রাত সাড়ে আটটায় এ লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ছাত্রীর নাম সুচিত্রা রানি। সে বোদা উপজেলার পাঁচপীর এলাকার গবিন্দ রায়ের মেয়ে এবং ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের এইচএসসি শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও হোস্টেল সূত্র জানায়, সুচিত্রা সোমবার বিকেলে হল থেকে বের হন। পরে হলে ফিরে তার কক্ষে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। এর কিছুক্ষণ পর সহপাঠীরা কক্ষে ঢুকতে চাইলে দরজা বন্ধ দেখেন। অনেক ডাকাডাকির পরও দরজা না খোলায় তারা জানালার পাশ থেকে সুচিত্রার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। বিষয়টি হল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে রুম থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।
অধ্যক্ষ আরজুমান্দ বানু বলেন, সুচিত্রার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার কথা ছিল। তবে কী কারণে আত্মহত্যা করছে তা তিনি বলতে পারেননি।
তবে সুচিত্রার রুমমেট জানান, সুচিত্রার দীর্ঘদিন ধরে একটি ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি তার পরিবার জেনে যাওয়ায় কয়েক দিন থেকে দুশ্চিন্তায় ছিল। এ কারণে সে আত্মহত্যা করতে পারে।
ঠাকুরগাঁও থানা অফিসার ইন চার্জ (ওসি) ফিরোজ খান জানান, খবর পেয়ে হোস্টেল থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রেমের কারণে সুচিত্রা আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সুচিত্রা গলায় ফাঁশ দেয়ার আগে কবিতার কয়েকটি উক্তি লিখেছিলেন। যা এরকম- ‘জীবনে কিছু প্রশ্ন থাকে, যার লেখা কখনও মুছে না, কিছু ভুল থাকে যা শুধরানো যায় না, আবার এমন বন্ধু থাকে যাকে কখনো ভুলা যায় না।’
তিনি আরো লেখেন- ‘এমন জীবন তুমি করিবে গঠন/ মরণে হাসিবে তুমি, কাঁদিবে এ ভুবন/ সুখের আশা করছি কেন সুখ কি সবাই পায়/ তবু মোদের সুখকে ভেবে প্রহর কেটে যায়।’
ঠাকুরগাঁও,১৮মার্চ,টাইমনিউজবিডি//এসএইচ
শ্রেণীহীন
মহিলা হোস্টেল থেকে লাশ উদ্ধার
ঠাকুরগাঁও সরকারি মহিলা কলেজের হোস্টেল থেকে এক ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত সাড়ে আটটায় এ লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ছাত্রীর নাম সুচিত্রা রানি। সে বোদা উপজেলার পাঁচপীর এলাকার গবিন্দ রায়ের মেয়ে এবং ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের এইচএসসি শিক্ষার্থী





