ভারত পানি প্রত্যাহার করায় তিস্তা নদী শুকিয়ে গেছে। পানির জন্য এ নদী পাড়ের মানুষের সব সময় হাহাকার লেগেই রয়েছে। সুষ্ঠু পানি বণ্টনের জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চুক্তি উদ্যোগ নিলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর বাধায় তা সফল হয়নি। সেই নদীতে হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পেয়ে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদী অববাহিকার পাঁচটি ইউনিয়নের চারটি চরগ্রাম প্লাবিত হয়েছে।ভারী বর্ষণের সাথে উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচে পৌঁছেছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় তিস্তার পানি প্রবাহ ছিল ৫১ দশমিক ৯০ সেন্টিমিটার, সকাল ৯টায় দশমিক ২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায়। এরপর দুপুর ১২ টায় পানি বৃদ্ধি পায় দশমিক ৩৫ সেন্টিমিটার। এরপর দুপুর তিনটার পানি আরও ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৫২ দশমিক ৩৫ সেন্টিমিটারে।সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তার পানি বিপদসীমার দশমিক ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যারাজের ৪৪টি স্লুইস গেট খুলে রাখা হয়েছে। ফলে উজানের পানি ভাটির দিকে প্রবেশ করছে।২৪ ঘণ্টায় তিস্তা অববাহিকার ডালিয়া পয়েন্টে বৃষ্টিপাত ১৬৭ মিলিমিটার রের্কড করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিস্তা ব্যারাজের উজানে পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের ঝাড়শিঙ্গেশ্বর চরের গত বছরের স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত একটি ক্রস বাঁধ ভেঙে গেছে বলে দাবি করেন ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রভাষক আব্দুল লতিফ খাঁন।
এছাড়াও তিস্তার তীরবর্তী গ্রাম ও চরাঞ্চলের অধিকাংশ পরিবার তাদের ঘরবাড়ি সরিয়ে নিয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহসীন রেজা জানান, গোটা জেলায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ১১৪ দশমিক ৮৩ মিলিমিটার।
তিস্তাপাড়ের স্থানীয়রা জানায়, ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তায় অকাল বন্যা দেখা দেয়ায় নীলফামারীর পূর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশাচাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী ইউনিয়নের চরাঞ্চলের গ্রামের ভেতর দিয়ে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহিত হয়ে প্লাবিত করেছে।
টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের কিসামত চরের মাঝি সহিদুল ইসলাম (৫০) জানান, তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে অকাল বন্যার সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়।এরই মধ্যে ইউনিয়নের পূর্বখড়িবাড়ি এলাকার স্থানীয় কাঁচা সড়কের আনুমানিক ৬০ ফুট এলাকা ভেঙে গেছে।
[b]ঢাকা, ৩০ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ[/b]
শ্রেণীহীন
নদী পাড়ের গ্রামগুলো প্লাবিত
ভারত পানি প্রত্যাহার করায় তিস্তা নদী শুকিয়ে গেছে। পানির জন্য এ নদী পাড়ের মানুষের সব সময় হাহাকার লেগেই রয়েছে। সুষ্ঠু পানি বণ্টনের জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চুক্তি উদ্যোগ নিলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর বাধায় তা সফল হয়নি। সেই নদীতে হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পেয়ে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদী অববাহিকার পাঁচটি ইউনিয়নের চারটি চরগ্রাম প্লাবিত হয়েছে





