আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ব বেতার দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি দেশের গণমাধ্যম এখন পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গৌরবময় ভূমিকা মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি অবরুদ্ধ দেশবাসীকে মুক্তির প্রেরণায় উদ্দীপ্ত করেছিল।’
শেখ হাসিনা বলেন, গত পাঁচ বছরে সরকার ২২টি এফ এম রেডিও এবং ৩২টি কমিউনিটি রেডিও চ্যানেলের অনুমোদন দিয়েছে। বাঙালি জাতির কৃষ্টি ও সংস্কৃতি বিকাশে এবং জনগণকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করতে বেতার তৎপর রয়েছে। সরকার জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন ও তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠা করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে বিশ্বের অনেক বেতার চ্যানেল অনলাইনে সংবাদ ও অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথচলায় বেতার চ্যানেলগুলোও অনলাইন সম্প্রচারের দিকে এগিয়ে যাবে।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও শিশুবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা-ইউনেস্কোর নির্বাহী বোর্ডের ১৮৭তম অধিবেশনে বিশ্ব বেতার দিবস ঘোষণার প্রস্তাব গৃহীত হয়।
বাংলাদেশে বিশ্ব বেতার দিবস-২০১৪ উদযাপনে বাংলাদেশ বেতার, বেসরকারি বাণিজ্যিক এফএম রেডিও, কমিউনিটি রেডিও এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) যৌথভাবে কাজ করছে।
[b]ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এফএ[/b]