দশম সংসদ নির্বাচন গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের ১ মাসের মধ্যে অংশগহণকারী প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়ার কথা। কিন্তু দুই মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও অধিকাংশ প্রার্থীই তাদের ব্যয়ের হিসাব জমা দেননি।
ইসি সূত্র জানায়, আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের ১ মাসর মধ্যে নির্বাচনী আয়-ব্যয়ের হিসাব সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিয়ে তার একটি অনুলিপি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠানোর কথা। কিন্তু অধিকাংশ প্রার্থীই তা করেননি।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-১৯৭২-এর ৪৪-সি অনুচ্ছেদের (১) অনুযায়ী, প্রার্থীর নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশ হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে প্রার্থী বা প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টকে নির্ধারিত ফরমে এফিডেভিটসহ সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে এর অনুলিপিও রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হবে।
দশম সংসদ নির্বাচনে ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন । আর বাকি যে ১৪৭টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে তাতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৯০ জন। এদের সবাইকে তাঁদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দাখিল করতে হবে ।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়ালের নবম অধ্যায়ের ১১ দফা অনযায়ী, নির্বাচনে বিজয়ী/পরাজিত সব প্রার্থীর জন্যই হিসাব দাখিল বাধ্যতামূলক। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদেরও এ হিসাব দিতে হবে। এমনকি কোনো প্রার্থীর নির্বাচনে কোনো ব্যয় না হলেও তা নির্ধারিত ফরমে উল্লেখ করে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। এই বিধান লঙ্ঘনের শাস্তি আরপিওর ৭৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে দুই বছর থেকে সাত বছর পর্যন্ত জেল এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দাখিলের শেষ দিনে গত ৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে জমা দিয়েছেন। হিসাবে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জ-৩ এবং রংপুর-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে রংপুর-৬ আসনে চার লাখ ৯৮ হাজার ৭০০ এবং গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকজন প্রার্থী নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দিলেও অধিকংশ প্রার্থী তাদের ব্যয়ের হিসাব জমা দেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ইসিতে বেশ কয়েকজন প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব পৌঁছেছে। যার অধিকাংশই অসম্পূর্ণ।
বিগত নির্বাচনগুলোতে এ বিষয়ে যথেষ্ট তাগাদা ছিল। যাঁরা রিটার্ন জমা দেননি তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য রিটার্নিং অফিসারদের তাগিদ দেওয়া হয়েছিল। অবশ্য মামলার সময় এখনো আছে। নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় পার হওয়ার পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে রিটার্নিং অফিসার মামলা করতে পারবেন।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. শাহনেওয়াজ বলেন, দশম সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে কতজন প্রার্থী ব্যয়ের হিসাব দাখিল করেননি তা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন(ইসি) গত ৮ জানুয়ারি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯০টি আসনে বিজয়ীর নামের গেজেট প্রকাশ করে। যশোর-১ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী শেখ আফিল উদ্দিন ও যশোর-২ আসনে বিজয়ী মনিরুল ইসলামের ফল প্রকাশ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ওই সময় স্থগিত রাখা হয়। পরে তা প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৮ আসনের স্থগিত ভোটকেন্দ্রগুলোতে পরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
[b]ঢাকা, এএম,১৬ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)//কেবি[/b]
দুই মাসেও নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দেননি ১০ম সংসদের অধিকাংশ প্রার্থী
দশম সংসদ নির্বাচন গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের ১ মাসের মধ্যে অংশগহণকারী প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়ার কথা। কিন্তু দুই মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও অধিকাংশ প্রার্থীই তাদের ব্যয়ের হিসাব জমা দেননি।
সংসদে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদেরও প্রতিনিধি রাখার চিন্তাভাবনা চলছে : প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মতো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্যও নির্দিষ্ট প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা করা যায় কি না, তা বিবেচনা করছে সরকার। এ বিষয়ে দলের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করে সম্ভব হলে একজন নারী ও একজন পুরুষ প্রতিনিধি রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে সংসদ ও রাজপথে আন্দোলন চলবে : গোলাম পরওয়ার
শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংসদে এবং সংসদের বাইরে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেছেন, শ্রমিকদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের আন্দোলন চলবে। এ আন্দোলন সফল করতে জাতীয় ইউনিয়ন, ক্রাফট ফেডারেশন ও বিভিন্ন সেক্টরের দায়িত্বশীল নেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সংসদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারকাজের নির্দেশ
জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় সংসদ ভবন এলাকার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, সবুজায়ন কার্যক্রম জোরদার করা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
প্যাকেজিং-অ্যাক্সেসরিজ খাতের সমস্যা সমাধানে সংসদে ভূমিকা রাখার আশ্বাস বিরোধীদলীয় নেতার
বাংলাদেশের প্যাকেজিং ও অ্যাক্সেসরিজ শিল্পের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপির সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ প্যাকেজিং অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিজ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএএমইএ)-এর প্রেসিডেন্টসহ বোর্ডের নেতৃবৃন্দ।
সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বিভিন্ন সমস্যা সংসদে নোটিশ দেওয়া হলেও আলোচনা করছে না সরকার
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সংসদে নোটিশ দেওয়া হলেও আলোচনা করছে না সরকার।
















