নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী প্রার্থীদের হলফনামা প্রকাশ আইন করে বন্ধ করলে তা দুর্বৃত্ত্বায়নের কাছে আত্মসমর্পনের শামিল হিসেবে গণ্য হবে বলে মন্তব্য করেছেন সুশানের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন।
আজ সোমবার ঢাকা রিপোর্টার ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত তৃতীয় পর্যায়ের উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতাকারী চেয়ারম্যান প্রার্থীগনের তথ্য প্রকাশ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, হলফনামা সংক্রান্ত আইন খতিয়ে দেখে তা আরো উন্নত করতে পারেন, তবে আইন বাতিল করলে তা হবে দুর্নীতি এবং দুর্বৃত্ত্বায়নের কাছে আত্মসমর্পনের শামিল।
এ আইনটি ২০০৫ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই উপস্থাপন করেছিলেন বলে জানিয়ে তিনি বলেন, এখন তারাই যদি তা বাতিল করে তাহলে এটি হবে দুর্ভাগ্যজনক।
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, দেশবাসী মনে করেছিল ভোটগ্রহনের সময় দ্বন্দসংঘাতময় পরিস্থিতি চিরতরে বিদায় নিয়েছিল কিন্তু দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহনের দিন থেকে এখন পর্যন্ত অনেকের মৃত্যুতে মনে হচ্ছে সে সংঘাতময় পরিস্থিতি আবার ফিরে এসেছে।
‘সংরক্ষিত নারী আসন, এটি নির্বাচন কিনা সন্দেহ আছে’ মন্তব্য করে সুজন সম্পাদক বলেন, কারণ এখানে মনোনয়ন পাওয়া মানেই নির্বাচিত।
সিইসির বিদেশ সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি তার ব্যক্তিগত সফর এ ব্যাপারে মন্তব্য না করাই ভাল। তবে এ সময় তার দেশে থাকা উচিত।
নির্বাচন কমিশনে যাদের বসানো হয়েছে তারা সকলেই দায়িত্বজ্ঞানসম্পন্ন মন্তব্য করে তিনি বলেন, এখন নির্বাচনে সহিংসতা হলেও কমিশন এসব ঘটনা দেখেও না দেখার ভান করছে। সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য পাঠ করেন সুজনের সহযোগী সমন্বয়কারী সানজিদা হক বিপাশা।
[b]ঢাকা, এএ, ১০ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেবি / জেআই
[/b]
সিইসির এ সময় দেশে থাকা উচিত ছিল: মজুমদার
নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী প্রার্থীদের হলফনামা প্রকাশ আইন করে বন্ধ করলে তা দুর্বৃত্ত্বায়নের কাছে আত্মসমর্পনের শামিল হিসেবে গণ্য হবে বলে মন্তব্য করেছেন সুশানের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন।
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মতোই গুরুত্বপূর্ণ: সিইসি
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, পুরো নির্বাচনি কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন করতে চায়।
আন্দোলনকারীরা ভারতের সিইসি’র পদত্যাগ চাইছেন কেন !
ভারতের নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রম ঘিরে বিক্ষোভ করছেন বিরোধীরা। তাদের অভিযোগ, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ভোটাধিকার হারিয়েছেন লাখ লাখ নয়, বরং কয়েক কোটি যোগ্য ভোটার। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মুসলিম রয়েছেন।
সিইসির পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের ঘোষণা সিজেপির
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে ১০ অক্টোবর দিল্লিতে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও কয়েকটি ছাত্র সংগঠন। আন্দোলনকারীরা বলছে, শুধু সিইসির পদত্যাগ নয়, নির্বাচনী ব্যবস্থায় সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
সিইসির পদত্যাগ ছাড়া নির্বাচনে অংশ নেওয়া অর্থহীন: অভিজিৎ দীপকে
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদে থাকলে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে কোনো লাভ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কতটা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। এমনকি ভোটের ফল আগেই নির্ধারণ করে রাখার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।
নারীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নারীদের অংশগ্রহণের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তাদের কার্যকর অংশগ্রহণ। এজন্য নারীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।
















