বার বার আকুতি জানিয়েও তিস্তা সেচ প্রকল্পে পানি না পেয়ে রংপর-জলঢাকা সড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা।
মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে তারা।
এতে ঢাকা-রংপুর-জলঢাকাসহ বুড়িমারী স্থলবন্দরের সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। সড়কের দু’পাশে কয়েকশ যানবাহন আটকা পড়েছে। কৃষকদের দাবি, পানি না দেয়া পর্যন্ত সড়ক অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এলাকাবাসী জানান, ভারত এক তরফাভাবে তাদের অংশের গজলডোবায় তিস্তা নদীতে বাধ দিয়ে পানির প্রবাহ আটকে রাখায় এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ তিস্তা নদীর ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
কৃষকদের অভিযোগ, গত ১৫ দিন ধরে রংপুর খালে কোনো পানি না থাকায় এলাকার প্রায় ৪০ হাজার হেক্টর জমির বোরো চাষ ব্যহত হচ্ছে। পানি না পাওয়ায় ফসলের জমি ফেটে চৌচির হয়ে ধানের চারাসহ ধান গাছ মরে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ কর্তপক্ষকে জানিয়েও কোনো কাজ না হওয়ায় তারা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
তিস্তা ব্যারেজের সাহায্যে রংপুর অঞ্চলের ৩৫ উপজেলায় পানি সরবরাহ করা হলেও এবার তিস্তা নদীতে পানির প্রবাহ কমে যায়। এতে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
এ বিষয়ে তিস্তা ব্যারেজের এক প্রকৌশলী জানান, শুস্ক মৌসুমে ব্যারেজে পানি থাকা দরকার কমপক্ষে ৪ থেকে ৫ হাজার কিউসেক। তা হলে ব্যারেজের কমান্ড এলাকায় সেচ খালের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা সম্ভব নয়। কিন্তু এবার তিস্তা নদী পানি শূন্য হয়ে পড়ায় কৃষকদের সেচ খালের মধ্য দিয়ে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছেনা। ফলে খালের পানির ওপর নির্ভরশীল হাজার হাজার কৃষক দুর্ভোগে পড়েন।
এজন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে দায়ি করে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘ভারত তরফাভাবে তাদের অংশের গজলডোবায় তিস্তা নদীতে বাধ দিয়ে পানির প্রবাহ আটকে রাখায় এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ তিস্তা নদীর ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
ঢাকা, ১৮ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই
পানির দাবিতে সড়ক অবরোধ
বার বার আকুতি জানিয়েও তিস্তা সেচ প্রকল্পে পানি না পেয়ে রংপর-জলঢাকা সড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে তারা।
গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ‘তিস্তা-পদ্মা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার’
কূটনৈতিক রিপোর্টার : ভারতের সঙ্গে ২০২৬ সালের ১২ ডিসেম্বরের আগেই গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নতুন চুক্তিতে বাংলাদেশের মূল অগ্রাধিকার থাকবে ১৯৭৭ সালের ঐতিহাসিক চুক্তির মতো ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ ফিরিয়ে আনা, যা বাংলাদেশকে শুষ্ক মৌসুমে পানির সুনির্দিষ্ট ও ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মেগা প্রজেক্ট পদ্মা ব্যারাজ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত দৃশ্যমান ও বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন তিনি।
তিস্তার পানি বাড়ছে, ৩ জেলার নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের শঙ্কা
উজানে বৃষ্টি ও নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে তিস্তা নদীর পানি বাড়ছে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার কিছু এলাকায় তিস্তার পানি সতর্কসীমা ছুঁয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এতে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে
টানা ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে আবারও ফুঁসে উঠেছে তিস্তা নদী। এতে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই
উজানের ঢল আর ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তার পানি বেড়ে যাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
সোমেশ্বরীতে সতর্কতা রংপুরে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা
দেশের চারটি জেলার পাঁচটি পয়েন্টে নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে সিলেট ও সুনামগঞ্জে সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় উন্নতি হতে পারে।
















