সুষ্ঠু নির্বাচনের মূল ভিত্তি হলো নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে যাদের নিয়োগ করা হয়েছে তারা কতটা নিরপেক্ষ ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে যারা থাকবেন তাদের পক্ষপাতহীনতা শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে। এ ব্যাপারে সামান্যতম ছাড় দেয়া হলেও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
আজ (সোমবার) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ভারতের ১৬তম লোকসভা নির্বাচনের ওপর আয়োজিত এক কর্মশালায় ভারতের সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এস ওয়াই কোরেশী এসব মন্তব্য করেন।
ভারতের আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ৮১ কোটি সাড়ে ৪৫ লাখ ভোটার রয়েছে বলেও জানান ভারতের সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ওই নির্বাচনে ৯ লাখ ৩০ হাজার পোলিং স্টেশন ও ১৯ লাখ ইলেকটরাল ভোটিং মেশিন থাকবে বলেও জানান তিনি।
১৯৫০ সাল থেকে প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক শাসন ধরে রাখতে ভারতকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে এমন মন্তব্য করে কর্মশালায় তিনি বলেন, বর্তমানে ভারতের গণতন্ত্র অত্যন্ত মজবুত। তবুও এই গণতন্ত্র ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ বিশেষ করে সুষ্ঠুভাবে গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠান আরও বড় চ্যালেঞ্জ।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও শালিশ কেন্দ্র এবং ব্রতীর সহায়তায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় আইন ও শালিশ কেন্দ্রের নেত্রী সুলতানা কামাল বলেন, ভারতের আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কিভাবে গণতান্ত্রিক পন্থায় জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয় তা আমাদের জন্য একটি বড় পর্যবেক্ষণের বিষয়। বিশেষ করে ভারত ও বাংলাদেশে বর্তমানে একই ধরনের গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিদ্যমান থাকায় ভারতের এই নির্বাচন থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে বলেও মন্তব্য করেন সুলতানা কামাল।
[b]ঢাকা, ২৪ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেবি[/b]