২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ সেনা দিবস ঘোষণা, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন বিডিয়ার ট্রাজেডিতে শহীদ হওয়া সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যরা।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে 'দেপ্রেমিক সচেতন নাগরিক' এর আয়োজনে ''বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কজনক এক অধ্যায়ের নাম পিলখানা ট্রাজেডি" শিরোনামে মানববন্ধন কর্মসূচীতে এ দাবি জানানো হয়।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1393323384.JPG[/img]
শহীদ পরিবারের ২শ' আত্নীয়-স্বজন এ মানববন্ধন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেন। মেজর জেনারেল (অব:) ইব্রাহীম, শিল্পী হায়দার আলী প্রমুখ শহীদ পরিবারের সদস্যদের সাথে একাত্নতা প্রকাশ করেন।
শহীদ পরিবারের সদস্যরা আজকের এই দিনটিতে নাচ-গান আনন্দ ফূর্তি না করতে দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান।
মঙ্গলবারের এশিয়া কাপের উদ্বোধন এবং প্রথম পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার মধ্যকার প্রথম ম্যাচটিকে সামনে রেখে শহীদ পরিবারের এক সদস্য বলেন, ক্রিকেট খেলা আমরা সবাই পছন্দ করি। তবে আজকের এই দিনে কেউ যেন এ নিয়ে উন্মাদনায় মেতে না উঠে। আজকের শহীদ দিবসটিকে সবাই যেন যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করে।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1393323505.JPG[/img]
উল্লেখ্য, সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) এর সদর দফতর রাজধানীর  পিলখানায় ২০০৯ সালের এইদিনে (২৫ ফেব্রুয়ারি) তথাকথিত কতিপয় দাবি-দাওয়া আদায়ের অজুহাতে বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যরা পৈশাচিক ও বর্বর, হিংস্র আর নারকীয় কায়দায় ৫৭ জন সেনাকর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1393323645.JPG[/img]
গোটা পিলখানায় সেদিন বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যরা যে তাণ্ডব চালিয়েছিলো, তা সভ্য পৃথিবীর কোন শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীর ইতিহাসে এমনটি ঘটেনি। নারকীয় এ হত্যাকাণ্ডের পাঁচ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ।
[b]ঢাকা, এএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এফএ
[/b]