ফেনী জেলা এক ভয়ঙ্কর জনপদে পরিণত হয়েছে। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। সম্প্রতি হত্যা ও গুমের ঘটনা অনেকাংশে বেড়ে গেছে। এতে প্রত্যেকটি উপজেলা-থানার সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত একমাসে এ জেলায় ১০টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
এর মধ্যে ফেনী সদরে স্ত্রীর হাতে স্বামী, দুর্বৃত্তদের হাতে প্রাইভেটকার চালক, অপহরণের পর হত্যা, লেমুয়া ইউনিয়নের কসকা এলাকা থেকে মস্তকবিহীন লাশ, দাগনভূঁঞায় ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে হত্যা ও একই উপজেলায় নারীর অর্ধগলিত লাশ, ছাগলনাইয়ায় দিনমজুরের লাশ উদ্ধার ও একই উপজেলায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ ও সোনাগাজীতে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৩ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজী নবাবপুর ইউনিয়নের মহদিয়া গ্রামে পৈত্রিক সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাত ও লাঠির আঘাতে নিজাম উদ্দিন (৪০) নামে এক ব্যবসায়ী তার আপন ছোট ভাই ইউনুছের হাতে খুন হন।
১৯ এপ্রিল মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় জেলার ছাগলনাইয়ার নতুন মুহুরীগঞ্জে মাহীনুর ইসলাম সুমন (২২) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে মাদক ব্যবসায়ীরা। সুমন ওই উপজেলার গোপাল ইউনিয়নের মৃত লয়িকত উল্লাহর ছেলে।
১৪ এপ্রিল সকালে শহরের চাঁড়িপুরে শহীদ উল্লাহ নামে এক যুবলীগ কর্মীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201404/1398485346.jpg[/img]
শহীদ উল্লাহ নিখোঁজ হওয়ার ১৫ দিন পর তার হাত-পা বাঁধা লাশ পাওয়া যায়।
১২ এপ্রিল জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের পশ্চিম মধুগ্রামের ছালে আহম্মদের বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে সিদ্দিক (২৮) নামে এক দিনমজুরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
একই দিন দাগনভূঁঞা উপজেলার রামনগর ও বরইয়া গ্রামের সীমানায় একটি শুকনো ছড়ার মধ্য থেকে এক নারীর (২৬) অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে দাগনভূঁঞা থানা পুলিশ।
১১ এপ্রিল রাত ১০টায় ফেনী শহরের মধ্যম রামপুরের অধ্যাপক আবুল খায়েরের ছেলে আবুল হাসান কায়সারকে (৩০) কুপিয়ে হত্যা করে তার স্ত্রী শাহনাজ নাদিয়া (১৯)। ১৩ এপ্রিল দুপুরে আদালতে ১৬৪ ধারায় এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দেন তিনি।
১০ এপ্রিল সকালে জেলার দাগনভূঁঞা উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের করম উল্লাহপুর গ্রামে ডাকাত সন্দেহে আবদুল খালেক বাচ্চু (৩০) ও ওসমান (২৭) নামে দুই ব্যক্তি গণপিটুনিতে মারা যায়।
৩ এপ্রিল ভোরে ফেনী সদর উপজেলার দক্ষিণ কাশিমপুর তেমুহনী এলাকায় এনামুল হক স্বপন (২৬) নামে এক প্রাইভেটকার চালককে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহত স্বপন ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের জোয়ার কাছাড় গ্রামের জয়নাব আলীর ছেলে।
এর আগে ২৪ মার্চ ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নের কসকা এলাকা থেকে যুবদল নেতা আবুল কালামের (৩০) মস্তকবিহীন লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তবে, এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান থানা ও জেলা পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা।
[b]ঢাকা, ২৬ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)// এনএস[/b]
শ্রেণীহীন
হত্যা ও গুমের নগরী ফেনী!
ফেনী জেলা এক ভয়ঙ্কর জনপদে পরিণত হয়েছে। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। সম্প্রতি হত্যা ও গুমের ঘটনা অনেকাংশে বেড়ে গেছে। এতে প্রত্যেকটি উপজেলা-থানার সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত একমাসে এ জেলায় ১০টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।এর মধ্যে ফেনী সদরে স্ত্রীর হাতে স্বামী,





