[b]ঢাকা: [/b]দেশবাসীর প্রতি নির্বাচন বর্জনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের গণতন্ত্র বিরোধী চক্রান্তকে পরাজিত করার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্র ধ্বংসকারীদের সহায়তা করতে আগামীকাল ভোট কেন্দ্রে যাবেন না।
শনিবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব মন্তব্য করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
মির্জা ফখরুল বিবৃতিতে আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বাংলাদেশের মানুষ কখনই আওয়ামী সরকারের এই নীলনক্সার নির্বাচন মেনে নেবে না। ইতোমধ্যেই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তারা তা প্রত্যাখান করেছেন।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে খালেদা জিয়া আপোষহীনভাবে নিরন্তর এই সংগ্রাম করছেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রকে সুমহান আদর্শ ও মূল্যবোধে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বিরোধী দলীয় নেত্রী আন্দোলন করছেন। নির্বাচন বর্জনে খালেদা জিয়ার আহ্বানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানানোর কথা বলেন মির্জা আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘জনগণের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন কখনো ব্যর্থ হয় না। অত্যাচারী শাসকরাই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়। জনগণের সম্মিলিত সংগ্রাম কখনো পরাজিত হয় না।’
মির্জা আলমগীর বলেন, ‘১৫৩ জন সরকারি জোটের প্রার্থী ইতোমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। বাকী আসনগুলোতে যৌথবাহিনীর সহযোগিতায় নির্বাচনের একটি নাটক মঞ্চস্থ করা হচ্ছে।’
বিএনপির এ নেতা দাবি করেন, ‘জনগণ নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য নিরন্তর গণআন্দোলন গড়ে তুলেছে। অসংখ্য মানুষ সরকারের নির্যাতনে প্রাণ দিয়েছেন, গ্রেফতার হয়েছেন। এই নির্বাচন এখন একটা সত্যিকার অর্থেই হাস্য-কৌতুকের প্রহসনে পরিণত হয়েছে।
আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়েছে বলেই এই ধরণের একটি জনসম্পৃক্ততা বিহীন নির্বাচনের পথ বেছে নিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাইছে। দলটি সামাজিক, নৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ পরাজিত হয়ে স্বৈরতান্ত্রিক একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চলেছে।’
সরকার সুপরিকল্পিতভাবে জাতিকে বিভক্ত করতে চাইছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে বিরোধী মতকে নির্মূল করে বাকশাল পুণরায় প্রতিষ্ঠিত করার অপচেষ্টা করছে।’