তিস্তা নদীর ভারত অংশে গজলডোবা ব্যারাজের সব গেট বন্ধ করে দেয়ায় হুমকির মুখে দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প। বর্তমানে তিস্তা সেচ প্রকল্পে সাড়ে তিন হাজার কিউসেক পানি থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ৩০০ থেকে ৩৫০ কিউসেক।
ফলে উত্তরাঞ্চলের তিন জেলার ১২ উপজেলার ৬০ হাজার ৫০০ হেক্টরে বোরোর চারা সেচের অভাবে মরে যাচ্ছে।
কৃষক নিরুপায় হয়ে ছুঁটে যাচ্ছে পাউবোর কাছে। সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে চলছে কৃষকদের বিক্ষোভ সমাবেশ কিন্তু পাচ্ছে না পানি। কৃষককে পানি দেওয়ার কথা বলে পাউবো টাকা নিয়েও পানি দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।
তিস্তার মরণ দশার একমাত্র কারণ চুক্তি মোতাবেক পানি না পাওয়া বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তিস্তা এখন অনেকটাই মরা খালের আকার ধারণ করেছে।
[b]ঢাকা, ৬ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এসআর
[/b]
শ্রেণীহীন
তিস্তায় নেই পানি, কৃষকের হাহাকার
তিস্তা নদীর ভারত অংশে গজলডোবা ব্যারাজের সব গেট বন্ধ করে দেয়ায় হুমকির মুখে দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প। বর্তমানে তিস্তা সেচ প্রকল্পে সাড়ে তিন হাজার কিউসেক পানি থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ৩০০ থেকে ৩৫০ কিউসেক।





