সোনালী ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জ মহিলা শাখায় ভুয়া এলসির মাধ্যমে ২০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় মেসার্স জিহাদ গার্মেন্টসের মালিক মো. জসিম উদ্দিন এবং ওই ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক মো. আব্দুস সাম দের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গত সপ্তাহে কমিশনের নিয়মিত বৈঠকে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় আদালতে এই মামলার চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেয়া হয়। যে কোনো দিন এই চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে।
নাম না প্রকাশের শর্তে দুদকের তদন্ত শাখার জনৈক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, চার্জশিটভুক্ত আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ২০০৬ সালের ২৯ জানুয়ারি থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে একাধিক বি.টি.বি এলসি ইস্যুর মাধ্যমে মালামাল রপ্তানি না করে, স্টক না দেখিয়ে ৪৭টি এলসির মাধ্যমে ব্যাংকের ১৩ কোটি এক লাখ ৯৫ হাজার ৬৪৬ টাকা আত্মসাত করেন। ওই অর্থ সুদসহ বর্তমানে ২০ কোটি ছয় লাখ ৬৭ হাজার ৮৫ টাকা হয়েছে।
দুদক অনুসন্ধান শেষে ২০১৩ সালের ২৯ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ মডেল থানায় মামলাটি (মামলা নং-৩০) দায়ের করে।
পরে তদন্ত শেষে এই মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি নারায়ণগঞ্জ সোনালী ব্যাংক মহিলা শাখার সিনিয়র অফিসার মো. সিরাজুল হকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তিনি বর্তমানে সোনালী ব্যাংক প্রিন্সিপাল অফিস হিসাবে কর্মরত আছে।
[b]ঢাকা একে, ৭ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসএইচ[/b]
শ্রেণীহীন
সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ ২জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
সোনালী ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জ মহিলা শাখায় ভুয়া এলসির মাধ্যমে ২০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় মেসার্স জিহাদ গার্মেন্টসের মালিক মো. জসিম উদ্দিন এবং ওই ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক মো. আব্দুস সাম দের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)





