গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় স্বামীর ধরিয়ে দেওয়া আগুনে দগ্ধ হওয়া স্ত্রী কুলসুম বেগম (১৮) ও তার বোন স্বর্ণা (৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। মান্দার মোল্লার
শুক্রবার রাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়ার পর তারা মারা যান। এ ঘটনায় কুলসুম বেগমের চাচাতো বোন সাথীও অগ্নদগ্ধ হয়েছে।
শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য তাদের লাশ গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মুকসুদপুর উপজেলার চণ্ডিবর্দি গ্রামের মান্দার মোল্লার স্ত্রী এর আগে বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ২টার দিকে টুঙ্গীপাড়া উপজেলার পাকুড়তিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
রাতে তাদের প্রথমে টুঙ্গীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
টুঙ্গীপাড়া থানার ওসি কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, ১১ মাস আগে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাকুড়তিয়া গ্রামের আলতাফ মোল্লার মেয়ে কুলসুমের সঙ্গে বিয়ে হয় মুকসুদপুর উপজেলার চণ্ডিবর্দি গ্রামের আব্দুস ছাত্তার মোল্লার ছেলে মান্দার মোল্লার। বিয়ের পর থেকে সংসারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া লেগে থাকতো।
ফেব্রুয়ারি মাসে কুলসুম বেগম স্বামী মান্দার মোল্লাকে ডিভোর্স দিয়ে পাকুড়তিয়ায় বাবার বাড়িতে চলে যায়। এরপর বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মান্দার মোল্লা কুলসুমদের বাড়িতে ঢুকে তিনিসহ তার দুই বোনের গায়ে পেট্রোল ঢেলে দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় তার স্বামীকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
[b]গোপালগঞ্জ, ২৯ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ
[/b]