[b]ঢাকা:[/b] তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিওতে) ২০ শতাংশ কোটা অনুমোদনের পর থেকে এ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য ৯ কোটি ৪৫ লাখ শেয়ার বরাদ্দ করা হয়েছে।
তবে এরমধ্যে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর আইপিও’র লটারিতে নাম না থাকায় কোনো শেয়ারই পাননি।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, প্রণোদনা প্যাকেজের বিশেষ স্কিম বাস্তবায়ন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণে আইপিওতে বিশেষ কোটা রাখার সময়সীমা আগামী ৩০ জুন শেষ হচ্ছে। এ হিসেবে কোটা বরাদ্দের সময় আরো ৬ মাস বাকি রয়েছে।
এদিকে গত ৩১ জুলাই ২০১২ বিএসইসি ৪৪১তম কমিশন সভায় জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস লিমিটেডের আইপিও’র অনুমোদনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। সে সময় থেকে এ পর্যন্ত পুঁজিবাজারে মোট ১৯ কোম্পানি ৪৭ কোটি ২৫ লাখ শেয়ার ছেড়েছে। যার ২০ শতাংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা ৯ কোটি ৪৫ লাখ শেয়ার পেয়েছেন।
জানা গেছে, জেনারেশন নেক্সট পুঁজিবাজারে মোট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়েছে। যার ২০ শতাংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা পেয়েছেন ৬০ লাখ শেয়ার।
এছাড়া এনভয় টেক্সটাইলের মোট ৩ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৬০ লাখ শেয়ার, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের মোট ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ২৪ লাখ শেয়ার, সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ারের ৩ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৬০ লাখ শেয়ার, আরগন ডেনিমসের ৩ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৬০ লাখ শেয়ার, প্রিমিয়ার সিমেন্টের মোট ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ২৪ লাখ শেয়ার, গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো লিমিটেডের মোট ৩ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৬০ লাখ শেয়ার, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালের মোট ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তরা পেয়েছেন ২৪ লাখ শেয়ার, অরিয়ন ফার্মার মোট ৪ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৮০ লাখ শেয়ার, বেঙ্গল উইন্ডসোর থার্মো প্লাস্টিকসের মোট ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ৩২ লাখ শেয়ার, ফ্যামিলিটেক্সের মোট ৩ কোটি ৪০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ৬৮ লাখ শেয়ার, সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালের ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ২৮ লাখ শেয়ার, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ৪ কোটি ৫০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ৯০ লাখ শেয়ার, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ২৮ লাখ শেয়ার, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ৩ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৬০ লাখ শেয়ার পেয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা।
তা ছাড়া সম্প্রতি আইপিও প্রক্রিয়া শেষ হওয়া মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস থেকে ২ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ারের মধ্যে ৫৫ লাখ শেয়ার এবং এএফসি এগ্রো বায়োটেকের ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ২৪ লাখ শেয়ার ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে।
এ ছাড়া এমারেল্ড ওয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের ২ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৪০ লাখ শেয়ার ও মতিন স্পিনিং মিলসের ৩ কোটি ৪০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ৬৮ লাখ শেয়ার ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকায় থাকা অনেক বিনিয়োগকারী এখন পর্যন্ত কোনো শেয়ারই পাননি। তার কারণ হিসেবে জানা যায়, কোনো কোম্পানির ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৬০ লাখ শেয়ার। এর মধ্যে ২০০টি শেয়ারপ্রতি লট হিসেবে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৩০ হাজার লট শেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু এ কোম্পানির ক্ষতিগ্রস্তদের কোটায় ৪০ হাজার লট শেয়ারের জন্য আবেদন পড়েছে। এক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে ৩০ হাজার লট শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তাই সঙ্গত কারণেই ১০ হাজার অ্যাকাউন্টধারীকে ক্ষতিগ্রস্তদের কোটা থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে।
জানা গেছে, পুঁজিবাজারে স্থিতিশিলতা বজায় রাখতে বিএসইসি ২০১১ সালের ২৩ নভেম্বর প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে।
প্রণোদনা প্যাকেজে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে বিশেষ স্কিম দেওয়ার জন্য ওই বছরের ২৭ নভেম্বর ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামানের নেতৃত্বে ৬ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। গঠিত কমিটি গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে বিভিন্ন সুপারিশসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দেয়।
প্রতিবেদনে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ কোটা বরাদ্দের কথা বলা হয়। এরপর গত বছরের ৫ মার্চে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে ২০ শতাংশ কোটায় আবেদন করার জন্য ১৮ মাস সময় বেঁধে দেয় (১ জুলাই ২০১২ থেকে ডিসেম্বর ২০১৩)।
৩০ এপ্রিল বিশেষ স্কিম কমিটি ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন করে বিএসইসির কাছে জমা দেয়। এরমধ্যে সিকিউরিটিজ হাউজের ৭ লাখ ৯৬ হাজার ১০৭ জন বিনিয়োগকারী রয়েছেন। ডিএসইর ২০৪টি এবং সিএসইর ১০৩টি সদস্য অর্থাৎ সিকিউরিটিজ হাউজের চিহ্নিত বিনিয়োগকারীরা এ সুবিধা পাচ্ছেন।
গত বছরের ২৬ জুন মার্জিন ঋণের ৫০ শতাংশ সুদ মওকুফ এবং আইপিওতে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ কোটাসহ বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুমোদন করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। পরবর্তীতে গত বছরের ৩ জুলাই ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের লোকসান সমন্বয়ের কথা চিন্তা করে কোটা বরাদ্দের সময়সীমা আরো ৬ মাস সময় বাড়ানে হয়। এদিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সম্পর্কিত একটি চিঠি এসইসিকে পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে তা পরিপালনের নির্দেশ দেয়া হয়।
অর্থাৎ বিনিয়োগকারীরা ২০১৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে ২০ শতাংশ কোটা পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। সে পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসি আইপিওতে কোটা বরাদ্দ শুরু করে। ইতিমধ্যে এ স্কিমের লক্ষাধিক অ্যাকাউন্টধারী এ সুবিধা ভোগ করেছেন। আর এ সুবিধা ভোগ করার সুযোগ রয়েছে আর মাত্র ৬ মাস।
[b]ঢাকা: [/b]তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিওতে) ২০ শতাংশ কোটা অনুমোদনের পর থেকে এ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য ৯ কোটি ৪৫ লাখ শেয়ার বরাদ্দ করা হয়েছে।
তবে এরমধ্যে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর আইপিও’র লটারিতে নাম না থাকায় কোনো শেয়ারই পাননি।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, প্রণোদনা প্যাকেজের বিশেষ স্কিম বাস্তবায়ন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণে আইপিওতে বিশেষ কোটা রাখার সময়সীমা আগামী ৩০ জুন শেষ হচ্ছে। এ হিসেবে কোটা বরাদ্দের সময় আরো ৬ মাস বাকি রয়েছে।
এদিকে গত ৩১ জুলাই ২০১২ বিএসইসি ৪৪১তম কমিশন সভায় জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস লিমিটেডের আইপিও’র অনুমোদনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। সে সময় থেকে এ পর্যন্ত পুঁজিবাজারে মোট ১৯ কোম্পানি ৪৭ কোটি ২৫ লাখ শেয়ার ছেড়েছে। যার ২০ শতাংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা ৯ কোটি ৪৫ লাখ শেয়ার পেয়েছেন।
জানা গেছে, জেনারেশন নেক্সট পুঁজিবাজারে মোট ৩ কোটি শেয়ার ছেড়েছে। যার ২০ শতাংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা পেয়েছেন ৬০ লাখ শেয়ার।
এছাড়া এনভয় টেক্সটাইলের মোট ৩ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৬০ লাখ শেয়ার, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের মোট ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ২৪ লাখ শেয়ার, সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ারের ৩ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৬০ লাখ শেয়ার, আরগন ডেনিমসের ৩ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৬০ লাখ শেয়ার, প্রিমিয়ার সিমেন্টের মোট ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ২৪ লাখ শেয়ার, গোল্ডেন হার্ভেস্ট এগ্রো লিমিটেডের মোট ৩ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৬০ লাখ শেয়ার, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালের মোট ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তরা পেয়েছেন ২৪ লাখ শেয়ার, অরিয়ন ফার্মার মোট ৪ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৮০ লাখ শেয়ার, বেঙ্গল উইন্ডসোর থার্মো প্লাস্টিকসের মোট ১ কোটি ৬০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ৩২ লাখ শেয়ার, ফ্যামিলিটেক্সের মোট ৩ কোটি ৪০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ৬৮ লাখ শেয়ার, সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালের ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ২৮ লাখ শেয়ার, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ৪ কোটি ৫০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ৯০ লাখ শেয়ার, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের ১ কোটি ৪০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ২৮ লাখ শেয়ার, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ৩ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৬০ লাখ শেয়ার পেয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা।
তা ছাড়া সম্প্রতি আইপিও প্রক্রিয়া শেষ হওয়া মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস থেকে ২ কোটি ৭৫ লাখ শেয়ারের মধ্যে ৫৫ লাখ শেয়ার এবং এএফসি এগ্রো বায়োটেকের ১ কোটি ২০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ২৪ লাখ শেয়ার ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে।
এ ছাড়া এমারেল্ড ওয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের ২ কোটি শেয়ারের মধ্যে ৪০ লাখ শেয়ার ও মতিন স্পিনিং মিলসের ৩ কোটি ৪০ লাখ শেয়ারের মধ্যে ৬৮ লাখ শেয়ার ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকায় থাকা অনেক বিনিয়োগকারী এখন পর্যন্ত কোনো শেয়ারই পাননি। তার কারণ হিসেবে জানা যায়, কোনো কোম্পানির ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৬০ লাখ শেয়ার। এর মধ্যে ২০০টি শেয়ারপ্রতি লট হিসেবে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৩০ হাজার লট শেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু এ কোম্পানির ক্ষতিগ্রস্তদের কোটায় ৪০ হাজার লট শেয়ারের জন্য আবেদন পড়েছে। এক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে ৩০ হাজার লট শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তাই সঙ্গত কারণেই ১০ হাজার অ্যাকাউন্টধারীকে ক্ষতিগ্রস্তদের কোটা থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে।
জানা গেছে, পুঁজিবাজারে স্থিতিশিলতা বজায় রাখতে বিএসইসি ২০১১ সালের ২৩ নভেম্বর প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে।
প্রণোদনা প্যাকেজে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে বিশেষ স্কিম দেওয়ার জন্য ওই বছরের ২৭ নভেম্বর ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামানের নেতৃত্বে ৬ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। গঠিত কমিটি গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে বিভিন্ন সুপারিশসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দেয়।
প্রতিবেদনে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ কোটা বরাদ্দের কথা বলা হয়। এরপর গত বছরের ৫ মার্চে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে ২০ শতাংশ কোটায় আবেদন করার জন্য ১৮ মাস সময় বেঁধে দেয় (১ জুলাই ২০১২ থেকে ডিসেম্বর ২০১৩)।
৩০ এপ্রিল বিশেষ স্কিম কমিটি ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন করে বিএসইসির কাছে জমা দেয়। এরমধ্যে সিকিউরিটিজ হাউজের ৭ লাখ ৯৬ হাজার ১০৭ জন বিনিয়োগকারী রয়েছেন। ডিএসইর ২০৪টি এবং সিএসইর ১০৩টি সদস্য অর্থাৎ সিকিউরিটিজ হাউজের চিহ্নিত বিনিয়োগকারীরা এ সুবিধা পাচ্ছেন।
গত বছরের ২৬ জুন মার্জিন ঋণের ৫০ শতাংশ সুদ মওকুফ এবং আইপিওতে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ কোটাসহ বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুমোদন করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। পরবর্তীতে গত বছরের ৩ জুলাই ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের লোকসান সমন্বয়ের কথা চিন্তা করে কোটা বরাদ্দের সময়সীমা আরো ৬ মাস সময় বাড়ানে হয়। এদিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সম্পর্কিত একটি চিঠি এসইসিকে পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে তা পরিপালনের নির্দেশ দেয়া হয়।
অর্থাৎ বিনিয়োগকারীরা ২০১৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে ২০ শতাংশ কোটা পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। সে পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসি আইপিওতে কোটা বরাদ্দ শুরু করে। ইতিমধ্যে এ স্কিমের লক্ষাধিক অ্যাকাউন্টধারী এ সুবিধা ভোগ করেছেন। আর এ সুবিধা ভোগ করার সুযোগ রয়েছে আর মাত্র ৬ মাস।
[b][font=Vrinda]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/font][/b]
ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৯ কোটি ৪৫ লাখ শেয়ার বরাদ্দ
ঢাকা: তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিওতে) ২০ শতাংশ কোটা অনুমোদনের পর থেকে এ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য ৯ কোটি ৪৫ লাখ শেয়ার বরাদ্দ করা হয়েছে।
ইরানের ২ বিলিয়ন ডলারের গোপন সামরিক নেটওয়ার্ক
যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সামরিক সরঞ্জাম আমদানির জন্য পাঁচ হাজারের বেশি সংস্থার একটি গোপন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে ইরান। এসব সংস্থার মাধ্যমে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে অন্তত ২০০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম, বিস্ফোরক ও ভারি ট্রাক আমদানি করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক অনুসন্ধানে এ তথ্য উঠে এসেছে।
পে স্কেল: সিনিয়দের টপকে বড় অংকের বেতন জুনিয়রদের
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আগামী রোববার (১ নভেম্বর) থেকে নবম পে স্কেলের আওতায় বকেয়াসহ বর্ধিত বেতন পাওয়ার ক্ষণগণনা শুরু হলেও, নানা জটিলতায় হোঁচট খেয়েছে পুরো প্রক্রিয়া। বেতন কাঠামোর মারপ্যাঁচে এমন কিছু অদ্ভুত ত্রুটি সামনে এসেছে, যেখানে সিনিয়কদের টপকে জুনিয়রদের পকেটে বেশি টাকা চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এই গোলমেলে পরিস্থিতির জেরে প্রথম ধাপে বর্ধিত বেতন হাতছাড়া হতে চলেছে দুই লাখেরও বেশি সরকারি চাকরিজীবীর।
পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন প্রাপ্তির সম্ভাব্য সময় জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়
নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আসছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। তবে কবে থেকে তাঁরা নতুন স্কেলে বেতন পাবেন, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পৃথক গেজেট জারির মাধ্যমে তাঁদের নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডিদের নিয়োগ বাতিল
রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংক—সোনালী, জনতা ও রূপালীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করেছে সরকার। ব্যাংক তিনটির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা হলেন সোনালী ব্যাংকের মো. শওকত আলী খান, জনতা ব্যাংকের মো. মজিবর রহমান এবং রূপালী ব্যাংকের কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।
সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতনের শতাংশের ভিত্তিতে প্রচলিত বিভিন্ন ভাতা নির্ধারণ ও পরিশোধের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব ভাতা ২০২৬ সালের ৩০ জুন আহরিত মূল বেতনের ভিত্তিতে নির্ধারণ ও পরিশোধ করতে হবে।
















