চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এই প্রথমবারের মতো স্থগিত ১৯ কেন্দ্রে পুন:ভোট গ্রহণ প্রেক্ষিতে মাঠে নেমেছে ইসির নিজস্ব পর্যবেক্ষক দল। আজ সকাল থেকেই ভোট গ্রহণ শুরু হয়। এসব উপজেলার ভোট হওয়া কেন্দ্রগুলোতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা এগিয়ে থাকায় ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থীদের তেমন কোনো আগ্রহ নেই। এ নির্বাচনকে অনেকটা নিয়ম রক্ষার ভোটগ্রহণ বলেও মনে করছেন ১৯ দল সমর্থিত প্রার্থীরা। পাশাপাশি
ভোটারদের নিরাপত্তা ও নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে এক প্লাটুন বিজিবি ও র্যা বের একটি মোবাইল টিম রয়েছে। এছাড়াও প্রতি কেন্দ্রে পুলিশ, এপিবিএন, ব্যাটালিয়ান আনসারের পৃথক টিম সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে। অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের তাৎক্ষণিক শাস্তি দিতে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও ভোটকেন্দ্রে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন বলে ইসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। 
ইসি কর্মকর্তারা জানান, আজ মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় নয়টি, সিলেটের কানাইঘাটে একটি, কুমিল্লার বরুড়ায় দুটি, কক্সবাজারের কতুবদিয়ায় দুটি ও পটুয়াখালীর দুমকীতে পাঁচটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দিয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে। বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত রোববার চিঠি দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অতিরিক্ত বিজিবি, র্যা ব ও পুলিশ মোতায়েনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছিল। এছাড়া এ নির্বাচনে এবারই প্রথম প্রতিকেন্দ্রে ইসির নিজস্ব পর্যবেক্ষক রয়েছে বলে ইসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
৫ উপজেলায় স্থগিত ১৯ কেন্দ্রের মধ্যে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার নয়টি, সিলেটের কানাইঘাটে একটি, কুমিল্লার বরুড়ায় দুটি, কক্সবাজারের কতুবদিয়ায় দুটি ও পটুয়াখালীর দুমকীতে পাঁচটি কেন্দ্রেকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ইসি। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করা হচ্ছে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার নয়টি কেন্দ্রকে।
[b]ঢাকা, ৯ এপ্রিল (টাইমনিউজ বিডি.কম)// এসএইচ[/b]