[b]ঢাকা[/b]: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটকে বার্ণ ইন্সটিটিউটে রুপান্তরের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। নানা সীমবদ্ধতার মধ্যেও বার্ণ ইউনিটে রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।
বার্ণ ইউনিটের কনফারেন্স রুমে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন- ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, বার্ণ ইউনিটের উপদেষ্টা ডা. সামন্ত লাল সেন, অধ্যাপক(প্লাষ্টিক সার্জারী) ডা: মো: সাজ্জাদ খোন্দাকার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ডা. জুলফিকার আলী লেলিনসহ বার্ণ ইউনিটের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।
রোগীর অবস্থা বিবেচনায় তাদের নগদ অর্থ সহায়তা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান।
মতবিনিময় সভায় রোগী হিসেবে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন বাবুল মিয়া ও গীতা সেন।
গীতা বলেন, আমার মেয়ে একুশে টিভির শিশু সাংবাদিক সুষ্মিতা সেন এখান থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ভাল হয়ে ফিরেছে এবং বর্তমানে আমিও চিকিৎসাধীন রয়েছি।
২৬ অক্টোবর'১৩ থেকে ০৯ জানুয়ারি'১৪ পর্যন্ত মোট ৭৩ দিনের হরতাল ও অবরোধ চলাকালীন সহিংসতায় মোট অগ্নিদগ্ধ ৯৮ জন রোগী ঢামেকের বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪২ জন। মারা গেছেন ২২ জন।
বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ছিলেন ৩৪ জন। এদের মধ্যে বৃহস্পতিবারই ৪ জন রিলিজ নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে সেখানে মোট ৩০ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে বার্ণ ইউনিটের পরিচালক বলেন, আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে কিন্তু আন্তরিকতার কোনো অভাব নেই। এখানে যত রোগী আসে আমরা সকলকেই ভর্তি করি।
এছাড়া সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা সভায় বার্ণ ইউনিটের উপদেষ্টা সামন্ত লাল সেন বলেন, বার্ণ ইউনিটকে পূর্ণাঙ্গ ইনস্টিটিউট করার প্রশাসনিক কাজ চলছে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে ঢামেকের বার্ণ ইউনিটের রোগীর হারে ৪০০ চিকিৎসকের বিপরীতে মাত্র ৩৬ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন। ইনস্টিটিউট করতে পারলে এখান থেকে প্রতি বছর আমরা ২০ জন ছাত্র ভর্তি করতে পারব। যা বার্ণ চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যাপক ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
শ্রেণীহীন
ঢামেক বার্ণ ইউনিটকে ইন্সটিটিউটে রুপান্তর
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটকে বার্ণ ইন্সটিটিউটে রুপান্তরের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। নানা সীমবদ্ধতার মধ্যেও বার্ণ ইউনিটে রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে। বার্ণ ইউনিটের কনফারেন্স রুমে বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়।





