বাংলাদেশ পেশাজীবী পরিষদের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, নারায়গঞ্জে আলোচিত ৭ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে সরকারকে বাধ্য করা হবে।
নিহত আইনজীবী চন্দন সরকার ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, ত্বকী পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন ও নারায়নগঞ্জ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে শুক্রবার তারা এ কথা বলেন।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, ড্যাবের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম, মোঃ রফিকুল ইসলাম, ঢাকা বারের নেতা অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, বিএফইউজে’র সভাপতি শওকত মাহমুদ, মহাসচিব এম এ আজিজ, কবি সেলিম বালা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, ড্যাব নেতা ডা. ফেরদৌস নির্ভক সভাপতি এটিএম কামাল প্রমুখ।
পেশাজীবী পরিষদের নেতারা সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি বৃষ্টিধারা এলাকায় চন্দন সরকারের বাসভবনে যান। সেখানে তারা নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের মেয়ের জামাতা ডা. বিজয় কুমার পাল, রঞ্জিত দেবনাথ ও মেয়ে ডা. সুস্মিতা সরকারের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় ডা. বিজয় কুমার পাল বলেন, আলোচিত এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্য আমাদের ব্যথিত করে।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201405/1399643880.jpg[/img]
জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, চন্দন সরকার নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই আইনজীবীরা দলমত নির্বিশেষে আন্দোলন চালিয়ে আসছে।
অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, আমরা আইনজীবীরা কর্মসূচী দিলেও তা রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেইনি। এটা কোন রাজনৈতিক কর্মসূচী নয়।
চন্দন সরকারের পরিবারকে শান্তনা দিয়ে বিএফইউজে সভাপতি শওকত মাহামুদ বলেন, চন্দন সরকার কোন দলের ছিলেন না আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তবে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তারা আন্দোলন করবেন না বলেও নিহতদের পরিবারের সদস্যদের আশ্বস্ত করেন।
দুপুর পৌনে ১২টায় সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি আব্দুল আলীপুলস্থ বাসভবনে নজরুলের স্ত্রী সন্তানদের সমবেদনা জানান পেশাজীবী দলের নেতৃবৃন্দ।
নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে আমরা এখানে এসেছি উল্লেখ করে রুহুল আমিন গাজী বলেন, নজরুল ভাই প্যানেল মেয়র এটা বড় কথা নয়। তিনি দেশের নাগরিক। বিনা করাণে হত্যাকাণ্ডে শিকার হলেন। আমরা তার কোনো দোষ দেখছি না। এভাবে যদি হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়। তাহলে মানুষ যাবে কোথায়? আপনারা পত্রপত্রিকায় দেখেছেন, যে ইট দিয়ে লাশ ডুবিয়ে রাখা হয়েছে র্যাবের অফিসের পাশে একই ইট পাওয়া গেছে। আপনারা অভিযোগে বলেছেন, ৬ কোটি টাকা দিয়ে র্যাব এই কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে। আজকে যে সংস্থা এটা করেছে তাদেরকে শুধু চাকরিচ্যুত করলেই হবে না। তাদের ফাঁসি দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। বিচার করতে হবে। যাতে বাংলার মাটিতে এইভাবে গুম খুন হত্যা আর কেউ না করতে পারে।
নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম অবিলম্বে সকল আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বলেন, নজরুলের হত্যাকারীদের বিচার না হয়ে এভাবে খুন গুম হতেই থাকবে। তিনি খুনিদের ফাঁসি দাবী করেন।
দুপুর পৌনে ২টায় পেশাজীবী দলের নেতারা মেধাবী ছাত্র তক্বীর বাসভবনের গিয়ে তার পরিবারকে শান্তনা জানান। এসময় নিহত তক্বীর বাবা রফিউর রাব্বি উপস্থিত ছিলেন ।
এর আগে পেশাজীবী নেতারা নারায়নগঞ্জ প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন।
[b]ঢাকা, ৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
শ্রেণীহীন
'হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে সরকারকে বাধ্য করা হবে'
বাংলাদেশ পেশাজীবী পরিষদের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, নারায়গঞ্জে আলোচিত ৭ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে সরকারকে বাধ্য করা হবে। নিহত আইনজীবী চন্দন সরকার ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, ত্বকী পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন





