কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় হিন্দুদের আদিনাথ মেলার কারণে দ্বিতীয় ধাপে পিছিয়ে পড়া উপজেলা নির্বাচনের  ভোটগ্রহণ শেষে গণনা চলছে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
মহেশখালী উপজেলার আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ভোটার এক লাখ ৮৮ হাজার ৫২৮ জন। এর মধ্যে ৯৬ হাজার ৮৭৩ জন পুরুষ এবং ৯১ হাজার ৬৫৫ জন নারী ভোটার বলে  উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়।
মহেশখালী উপজেলায় মোট ভোট কেন্দ্র ৬৮টি রয়েছে। এর মধ্যে ১১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র গুলো হলো- মাতারবাড়ি ইউনিয়নের রাজঘাট এবতেদায়ী মাদ্রাসা কেন্দ্র ও দক্ষিণ রাজঘাট সরকারি প্রাথমিক কেন্দ্র। সন্ত্রাস কবলিত কালারমারছড়া ইউনিয়নের নয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, কালারমারছড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র, নোনাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এবং আঁধারঘোনা বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র। হোয়ানক ইউনিয়নের হরিয়ারছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, কালাগাজির পাড়া নুরিয়া মোজাহেরুল উলুম মাদ্রাসা কেন্দ্র। বড়মহেশখালী ইউনিয়নের মগরিয়াকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও ফকিরাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র।
উপজেলা নির্বাচনে এবার মহেশখালীতে ভোটযুদ্ধে প্রার্থী রয়েছেন ১৬ জন। তারা হলেন, চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বক্কর ছিদ্দিক (ব্যাটারি), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ার পাশা চৌধুরী (ঘোড়া), জামায়াত ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী জাবের আহমদ চৌধুরী ( মোটরসাইকেল), বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাবিব উল্লাহ হাবিব (টুপি), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ হোছাইন ইব্রাহিম চৌধুরী  ( দোয়াত কলম), নাগরিক কমিটি মনোনীত প্রার্থী আবদুল খালেক চৌধুরী (কাপ-পিরিচ) ও  জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী নাজেম উদ্দিন (হেলিকাপ্টার)।
[b]কক্সবাজার,১মার্চ,(টাইমনিউজবিডি)//এসএইচ[/b]