[b]ঢাকা: [/b]ডিসেম্বর মাসে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১৯৪টি অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব জনতা ব্যাংকের বিরুদ্ধে। ব্যাংকটির বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে ২১টি। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, শুধু ডিসেম্বর মাসে ১৯৪টি অভিযোগ এসেছে। এর মধ্যে নিষ্পত্তি করা হয়েছে ১৪১টি। যা মোট অভিযোগের ৭২ দশমিক ৬৮ শতাংশ। আর নভেম্বরের তুলনায় অভিযোগ কম এসেছে ২০টি। নভেম্বরে অভিযোগ এসেছিল ২১৪টি। যার ৭৭ দশমিক ৫৭ শতাংশই নিষ্পত্তি করা হয়েছিল।
ডিসেম্বরে গ্রাহকদের অভিযোগের মধ্যে ছিল অভ্যন্তরীণ বিল সংক্রান্ত ৪০টি, বৈদেশিক বিল সংক্রান্ত ৩৭টি, সাধারণ ব্যাংকিং সংক্রান্ত ৬৮টি, ঋণ ও অগ্রিম সংক্রান্ত ৪টি, কার্ড সংক্রান্ত ২০টি এবং অন্যান্য অভিযোগ ছিল ২৫টি। অভিযোগগুলোর মধ্যে গ্রাহকরা টেলিফোনের মাধ্যমে ৮৩টি এবং ই-মেইল ও ডাকযোগে ১১১টি অভিযোগ করেছেন।
২০১১ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ ব্যাংকে ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস বিভাগে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গ্রাহকরা অভিযোগ করেছেন ৮ হাজার ৪৫৫টি। এর মধ্যে টেলিফোনে অভিযোগ এসেছে ৩ হাজার ২৬টি এবং ই-মেইল ও ডাক যোগে অভিযোগ এসেছে ৫ হাজার ৪৩৪টি। ডিসেম্বর পর্যন্ত আসা মোট অভিযোগের মধ্যে ৭ হাজার ৭০৫টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে ই-মেইল ও ডাকযোগে প্রাপ্ত ৪ হাজার ৬৮৪টি এবং টেলিফোনে প্রাপ্ত সব অভিযোগই নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান বলেন, গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। এ কারণে ব্যাংকগুলোতে অনিয়ম অনেক কমে গেছে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১১ সালের ১ এপ্রিল গঠন করে গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণ কেন্দ্র। পরে এর পরিধি বাড়তে থাকায় আরও বৃহৎ পরিসরে একে ঢেলে সাজিয়ে গঠন করা হয়েছে ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস বিভাগ (এফআইসিএসডি)। ফ্যাক্স (০০৮৮-০২-৯৫৩০২৭৩), ই-মেইল (bb.cipc@bb.org.bd), এসএমএস এবং ১৬২৩৬ নাম্বারে ডায়াল করে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোনো অনিয়ম ও হয়রানির বিরুদ্ধে গ্রাহকরা অভিযোগ করতে পারেন। ব্যাংক এ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য এ সেবা চালু করা হয়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]