[b]নয়াদিল্লি:[/b] ভারতীয় পররাষ্ট্র বিষয়ক নীতিনির্ধারকরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন,বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার ‘বিজয়’কে স্বীকৃতি দেয়া হবে। দিল্লির এ অবস্থানে হয়তো ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়া যাবে। কিন্তু বিরোধী দল বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে তা ভেস্তে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। ভারতের ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফে প্রকাশিত এক মন্তব্য প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।
‘ফর হাসিনা,ইন্ডিয়া সুইমস এগেইনস্ট টাইড’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনটি লিখেছেন দেবদীপ পুরোহিত ও চারু সূদন কস্তুরি। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের আগেও ভারত ছিল শেখ হাসিনার পাশে। অনেকে বিশ্বাস করেন,এ কারণেই তিনি নির্বাচন করার সাহস দেখিয়েছেন। যদিও বিরোধী দল এ নির্বাচনকে প্রহসন বলে অভিহিত করেছে। তা সত্ত্বেও নির্বাচনের পরেও শেখ হাসিনার সঙ্গে রয়েছে ভারত।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়,এ নির্বাচনে ভোট পড়েছে শতকরা ৫ থেকে ৩৫ ভাগ। তবে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে ভোট পড়েছে শতকরা ৩৯ ভাগ। পাঁচ বছর আগের তুলনায় এ সংখ্যা অনেক কম। ৫ বছর আগে ভোট পড়েছিল শতকরা ৮৩ ভাগ। ঢাকায় শেখ হাসিনা বলেছেন,তিনি বৈধতার সঙ্গে বিজয়ী হয়েছেন। খালেদা জিয়া যদি তার শর্তে রাজি হন তাহলে আরেকটি নির্বাচনের ইঙ্গিত দেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেছেন,বিরোধীদলীয় নেতাসহ সবার প্রতি আমি আহ্বান জানাই সন্ত্রাস,সহিংসতা,যুদ্ধাপরাধী ও জামায়াতে ইসলামীকে পরিহার করে একটি শান্তিপূর্ণ আলোচনায় বসার জন্য। আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যাবে। সে জন্য সবাইকে ধৈর্য ধরার,সহিষ্ণুতা প্রদর্শন ও রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ করার আহ্বান জানাই।
তবে শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচন কবে হবে তার কোন দিনক্ষণ সম্পর্কে কিছু বলেননি। তবে সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে তিনি তিন-চতুর্থাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পরও বুঝতে পেরেছেন নতুন সরকার হবে দুর্বল। তাই তিনি আরেকটি নির্বাচনের কথা বিবেচনা করছেন। ১৯৯৬ সালে বিরোধী দলে ছিল আওয়ামী লীগ। তখনও একতরফা নির্বাচনে বিজয়ী হয় বিএনপি। তারা সরকার গঠন করে। তারাও অভ্যন্তরীণ ও বিদেশী চাপের ফলে নতুন নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়েছিল।
অপরদিকে সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন করতে ব্যর্থতার জন্য শেখ হাসিনাকে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কমনওয়েলথ। তারা এ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাতে অস্বীকৃতি জানান। এতে পরিষ্কার হয় যে, তারা এ নির্বাচনকে বৈধ বলে স্বীকৃতি দেবেন না। কিন্তু নির্বাচনকে সামনে রেখে শেখ হাসিনার পক্ষ নেয় ভারত। অনেকে বিশ্বাস করেন,এতে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সাহস পান তিনি। নির্বাচনের পরও ভারত এ অবস্থানে অটল থাকে, যদিও বিএনপি এ নির্বাচনকে প্রহসন বলে অভিহিত করে এবং নতুন সরকারকে অবৈধ সরকার হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
হাসিনার স্বার্থে স্রোতের বিপরীতে ভারত
নয়াদিল্লি: ভারতীয় পররাষ্ট্র বিষয়ক নীতিনির্ধারকরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন,বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার ‘বিজয়’কে স্বীকৃতি দেয়া হবে। দিল্লির এ অবস্থানে হয়তো ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়া যাবে। কিন্তু
শেখ হাসিনার ফেরার আলোচনা ঘিরে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে দেব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার আলোচনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে কোনো অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ সরকার দেবে না। শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার জন্য প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী প্রতিবেশী দেশের কাছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কয়েক দফা অনুরোধপত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
আমরাও চাই শেখ হাসিনা দেশে ফিরুন, মানুষ তাঁর বিচার দেখতে চায়: প্রতিমন্ত্রী
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, দেশের মানুষ তাঁর বিচার দেখতে অপেক্ষা করছে। তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক—ইতিহাসের এই সত্য মুছে ফেলা যাবে না।
গ্রেপ্তার ২ নওগাঁয় শেখ হাসিনা আসবে বলে মাইকিং
নওগাঁর মান্দায় অটোরিকশায় মাইকিং করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার ঘটনায় ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।
১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না তিনি।
আ’লীগের নেতা-কর্মীরাও মদ খায় সব বাটপারের কারখানা: স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একমাত্র শেখ হাসিনাই কারচুপি করে ক্ষমতায় টিকে ছিলেন। শেষমেশ দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে তিনি ভারতে পালিয়ে গেছেন। আমরা এ ধরনের রাজনীতি করিনি; ঢাকায় আমার নিজের কোনো বাড়ি নেই, অথচ তাদের জাবেদ নামের এক এমপির বিদেশেই সাড়ে চারশত বাড়ি রয়েছে।’
















