মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও গজারিয়ার উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খান মোহাম্মদ নাজমুসের (সোয়েব) বিরুদ্ধে নির্বাচনী আইন অমান্যের একাধিক অভিযোগের পরও শাস্তিমূলক কোন ব্যবস্থা নেয়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সূত্র জানায়,গত ৯ এপ্রিল গজারিয়ার উপজেলা নির্বাচনে পুনভোটগ্রহণের সময় ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপসচিবের নির্দেশ উপেক্ষা করে কেন্দ্রে ভোট গণনা করেন তিনি। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী,কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ ম্যাজিস্ট্রেটরা কেন্দ্রে ভোট গণনার সময় প্রবেশ করতে পারেন না। এ বিষয়ে ইসির কর্মকর্তারা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। পাশপাশি গজারিয়া উপজেলায় নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দুই প্রার্থীসহ  নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও স্থানীয় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে লিখিত আবেদন করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়,গত ৯ এপ্রিল মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় পুনভোটগ্রহণে বালুয়াকান্দি ডা. আবদুল গফফার স্কুল এন্ড কলেজে দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ সময় কেন্দ্রে দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসারকে তোয়াক্কা না করে ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশেও বাধাপ্রদান করেন। বিষয়টি ইসির নজরে এলে ইসির উপ-সচিব ফরহাদ আহম্মদ খানের কথাও আমলে নেননি তিনি।
অভিযোগে আরো বলা হয়,গত ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ শেষে গণনা শুরুর মুহূর্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খান মোহাম্মদ নাজমুস শোয়েব সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেন। উত্তেজিত হয়ে তিনি বলেন,'আমাকে আইন শেখাতে আসবেন না। তিন বছরে দুইশ নির্বাচন করেছি, আইনকানুন সবই জানা আছে।' তখন সাংবাদিকরা নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মিহির সারওয়ার মোর্শেদকে বিষয়টি অবহিত করলে তাৎক্ষণিক মোবাইলে ম্যাজিস্ট্রেটকে সাংবাদিকদের কেন্দ্রে ও ভোটগণনা কক্ষে প্রবেশের নির্দেশ দেন। তারপরও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসির নির্দেশের কোনো তোয়াক্কা না করে সাংবাদিকদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে ভোট গণনা শুরু করেন।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ টাইমনিউজ বিডিকে বলেন,আইন অমান্য করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না ।
[b]ঢাকা,এএম,১৭ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ[/b]