দেশের দক্ষিনাঞ্চলের কক্সবাজারের রামু ও কুতুবদিয়ায় ৮৬ কেন্দ্রের মধ্যে ৪৬টি কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে ভোট গ্রহণের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে প্রশাসন।
রামু উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮০১ জন। এদের মধ্যে ৭০ হাজার ৮৫২ জন পুরুষ ও ৬৮ হাজার ৯৪৯ জন নারী ভোটার রয়েছেন। রামুতে ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৫০টি।
এর মধ্যে ২১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে গোয়েন্দা বিভাগ। একই সঙ্গে ৮টি ইউনিয়নের ১৯ কেন্দ্রকে ঝূঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আহমেদুল হক চৌধুরী এবং এরইমধ্যে তিনি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
বিষয়টি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টরা প্রস্তুত রয়েছেন। বিপুল সংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, আনসার, র্যা ব সদস্যরা এখানে কাজ করবেন।
রামু উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীরা হলেন- চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সোহেল সরওয়ার কাজল (দোয়াত কলম), উপজেলা জামায়াতের আমীর ফজলুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান (ঘোড়া), উপজেলা বিএনপি সভাপতি আহমেদুল হক চৌধুরী (আনারস) ও খুনিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাংবাদিক আবদুল মাবুদ (কাপ-পিরিচ)।
ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা যুবলীগ সভাপতি রিয়াজুল আলম (চশমা), বিএনপি সমর্থিত আলী হোসেন কোম্পানি (টিউবওয়েল), কৃতি খেলোয়াড় দিদারুল আলম প্রকাশ দিদার বলী (তালা), এস মোহাম্মদ হোসেন (টিয়াপাখি), যুবলীগ নেতা আবুল কালাম সিকদার (উডোজাহাজ) ও আলহাজ মওলানা হাফেজ আবদুল হাই (মাইক)।
নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মুসরাত জাহান মুন্নী (প্রজাপতি) এবং বিএনপি সমর্থিত ফরিদা ইয়াছমিন (কলসী)।
অন্যদিকে, কুতুবদিয়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ৭৪ হাজার ৬০৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩৮ হাজার ৫৩৮ জন ও নারী ভোটার রয়েছেন ৩৬ হাজার ৬৯ জন। ৬ ইউনিয়নে ৩৬ কেন্দ্রের মধ্যে ২৫টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন।
কুতুবদিয়া উপজেলায় ৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর থাকলেও বর্তমানে মাঠে রয়েছেন ৪ জন। তৃণমূল আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী তার সমর্থকদের নিয়ে আরেক প্রার্থী বড়ঘোপ ইউপি চেয়ারম্যান শাকের উল্লাহর মোটরসাইকেল) পথ সভায় যোগদান করে সমর্থন দিয়েছেন।
এর আগে আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থিত প্রার্থী বঙ্গবন্ধু পরিষদ নেতা শফিউল আলম নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। এর পর আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে মন্জুর আলম সিকদারকে (দোয়াত-কলম) সমর্থন দেয়।
অপর ২ প্রার্থী হলেন- বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান বিএনপি‘র প্রার্থী এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী (ঘোড়া), জামায়াতের দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী আ.স.ম শাহরিয়ার চৌধুরী (আনারস)। এ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যন পদে ৫ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
[b]ঢাকা, ২২ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেবি [/b]





