৪র্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪র্থ ধাপে ৪৩ জেলার স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ৫ দিনের জন্য আজ শুক্রবার থেকে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী। পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক র্যাব বিজিবি, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যও নির্বাচনী এলাকায় টহল দেবে।
৯১ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে আগামী রোববার। এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১ হাজার ২৭৭ জন প্রার্থী। ভোটগ্রহণ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে ইসি।
মধ্যরাতেই শেষ হচ্ছে মিছিল-মিটিংসহ সব ধরণের প্রচার-প্রচারণা। একই সঙ্গে বন্ধ হচ্ছে সব ধরণের যান্ত্রিক যান চলাচল। তবে এ ধাপেও সহিংসতার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এমনকি এই নির্বাচনে গত তিন ধাপের চেয়েও বেশি সহিংসতা হতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
প্রতি উপজেলায় ১ প্লাটুন করে সেনাবাহিনীর সদস্য টহল দেবেন। বড় উপজেলায় এ সংখ্যা আরও বাড়বে। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর ২-৩টি গাড়ি টহলে থাকবে। সঙ্গে সেনাবাহিনীর কমান্ডিং অফিসার ও একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। এছাড়া মোবাইল ফোর্স হিসেবে পর্যাপ্ত পরিমাণ র্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকছেন।
প্রতি কেন্দ্রে একজন পুলিশ (অস্ত্রসহ), একজন অঙ্গীভূত আনসার(অস্ত্রসহ), ১০ জন অঙ্গীভূত আনসার (মহিলা-৪, পুরুষ-৬ জন), একজন আনসার (লাঠিসহ) ও একজন গ্রাম পুলিশ আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবেন।
তবে ঝুঁকিপূর্ণ, পার্বত্য এলাকা, দ্বীপাঞ্চল ও হাওর এলাকায় এ সংখ্যা শুধুমাত্র পুলিশের ক্ষেত্রে দু’জন হবে। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে ৩৬৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৯১ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৪৭ জন প্রার্থী। ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫১৯ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এ সব উপজেলায় মোট ভোটার ১ কোটি ৩৮ লাখ ৫৯ হাজার ২৭৮ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬৯ লাখ ৭ হাজার ৯৫৬ জন এবং মহিলা ভোটার ৬৯ লাখ ৫১ হাজার ৩২২ জন।
ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৫ হাজার ৮৮৪টি, ভোটকক্ষ ৩৯ হাজার ৫১৬টি।
প্রতি ভোটকেন্দ্রে একজন করে মোট ৫ হাজার ৮৮৪ জন প্রিজাইডিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রতি কক্ষে একজন করে মোট ৩৯ হাজার ৫১৬ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের পাশাপাশি ৭৯ হাজার ৩২ জন পোলিং অফিসার ভোটগ্রহণে দায়িত্ব পালন করবেন।
[b]ঢাকা, ২১ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ[/b]
শ্রেণীহীন
৯১ উপজেলায় নামছে সেনাবাহিনী
৪র্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪র্থ ধাপে ৪৩ জেলার স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ৫ দিনের জন্য আজ শুক্রবার থেকে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী। পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক র্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যও নির্বাচনী এলাকায় টহল দেবে





