উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত (নারী সদস্য) পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি)। আজ (সোমবার) কমিশন বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। কবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে তা আগামী কমিশন বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, দেশের ৪৮৭টি উপজেলার মধ্যে ৪৭১টি উপজেলার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।
ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কমিশন বৈঠকে চতুর্থ উপজেলা  নির্বাচনের প্রথম দফার সীমানা বিন্যাসকৃত ২১ জেলার ১২৭ উপজেলায় নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বাকি ৩৬০ উপজেলায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে দ্রুত সীমানা বিন্যাসের কাজ শেষ করতে চিঠি পাঠানোর  সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে ।
নির্বাচন কমিশন যে ২১টি জেলার  ১২৭টি উপজেলায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে  জেলাগুলো হচ্ছে-নরসিংদী, ঝিনাইদহ, টাঙ্গাইল, কুষ্টিয়া, ঠাকুরগাঁও, বাগেরহাট, নীলফামারী, মাগুরা, ঝালকাঠি, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, খুলনা, কুড়িগ্রাম, পিরোজপুর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, বরগুনা, নোয়াখালী, জয়পুরহাট ও নওগাঁ জেলা।
স্থানীয় সরকার আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী,  ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভার সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরদের মধ্য থেকে ভোট দিয়ে উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য নির্বাচন করার বিধান আছে। সীমানা বিন্যাসের কাজ শেষ হলে সারাদেশে প্রায় ১৫শ' নারী জনপ্রতিনিধি হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পাবে। আইন অনুযায়ী, 'প্রত্যেক উপজেলার এলাকাভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভার (যদি থাকে) মোট সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের সমসংখ্যক আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে। যাহারা উক্ত উপজেলার এলাকাভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার (যদি থাকে) সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য বা কাউন্সিলরগণ কর্তৃক তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন। বিধান অনুযায়ী উপজেলাতে ১২টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা থাকলে উপজেলায় নারী সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত আসন হবে ৪টি। ইউপি/পৌরসভার সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরাই সংশ্লিষ্ট উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনে ভোটার এবং প্রার্থী হতে পারবেন।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক   বলেন, উপজেলা পরিষদের  সংরক্ষিত (নারী সদস্য) পদে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রথমে ১২৭ উপজেলায় নির্বাচন করা হবে।
[b]ঢাকা, এএম, ২ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসআর
[/b]