রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যাওয়া ব্যক্তির পকেটে পাওয়া চিরকুটে লেখা রয়েছে 'আমার লাশটি দাফনের জন্য আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামকে পৌঁছে দিবেন।' সেই সঙ্গে তার পরিচয়ও পাওয়া গেছে এবং ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
আনোয়ার নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে ছেলেটি খিলগাঁও ফ্লাইওভার সংলগ্ন রেলগেটের কিছুটা সামনে কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনের নিচে হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে কমলাপুর রেলওয়ে থানায় নিয়ে যায়।
কমলাপুর রেলওয়ে থানার (জিআরপি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মজিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, নিহতের মানিব্যগ থেকে বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা ৩টি চিঠি উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ইংরেজিতে লেখা দুটি চিঠি তার পরিবারকে ও বাংলায় লেখা একটি চিঠি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে উদ্দেশ করে লেখা। বাংলায় লেখা চিঠিতে লেখা রয়েছে- আমার নাম শাহিন। গ্রামের বাড়ি মকসুদপুর, মনিরকান্দি, জেলা গোপালগঞ্জ। আমার দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমি যাব না। আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমার মানিব্যাগে ১৭’শ টাকা আছে। আমার লাশটি দাফনের জন্য আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামকে পৌছে দিবেন।
ওসি আরো জানান, ২০/২৫ বছর বয়সী যুবকটির পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য গোপালগঞ্জের সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন তিনি।
নিহতের পরনে ছিল কালো প্যান্ট ও সবুজ গেঞ্জি। পুলিশ ধারণা করছে, তিনি শিক্ষিত এবং ভালো পরিবারের সন্তান। কোনো কারণে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন। হাতের লেখাও খুব সুন্দর বলে জানান ওসি।
ঢাকা, ২জুন (টাইমনিউজবিডি) //জেডআই
শ্রেণীহীন
'আমার লাশটি আঞ্জুমানে পৌঁছে দেবেন'
রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যাওয়া ব্যক্তির পকেটে পাওয়া চিরকুটে লেখা রয়েছে 'আমার লাশটি দাফনের জন্য আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামকে পৌঁছে দিবেন।' সেই





