ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০১৪-১৫ বর্ষের নির্বাচনে স্থগিত থাকা কোষাধ্যক্ষ পদটিও পেয়েছে বিএনপি-জামায়াতপন্থী নীল প্যানেল। এর ফলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদসহ ১৯টি পদে বিএনপি-জামায়াতপন্থী নীল প্যানেল নিরঙ্কুশভাবে বিজয়ী হয়েছে। নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে আওয়ামীপন্থী সাদা প্যানেলের।
শনিবার রাত সোয়া ১০টায় পুনঃগণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিএনপি-জামায়াতপন্থী নীল প্যানেলের মো. শামসুজ্জামানকে ১৭ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করে।
কোষাধ্যক্ষ পদে বিজয়ী মো. শামসুজ্জামান (নীল প্যানেল) পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৯০ ভোট এবং পরাজিত মো. মকবুল হোসেন (সাদা প্যানেল) পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৭৩ ভোট।
এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) দুপুর দেড়টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুস সবুর কোষাধ্যক্ষ পদ ছাড়া অন্য ২৪টি পদের ফলাফল ঘোষণা করেন।
ওইদিন ফলাফল ঘোষণার মাত্র আধঘণ্টা আগে পরাজিত প্রার্থী মো. মকবুল হোসেন পুনঃগণনার জন্য আপত্তি জানালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কোষাধ্যক্ষ পদের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত করেন।
সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন নীল প্যানেলের মো. মহসিন মিয়া। তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৮৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাদা প্যানেলের সাইদুর রহমান মানিক পেয়েছেন ৩ হাজার ১৯০ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচতি হয়েছেন নীল প্যানেলের মোসলেহ উদ্দিন জসিম। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৬২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাদা প্যানেলের মো. মোশাররফ হোসেন পেয়েছেন ৩ হাজার ৩১৬ ভোট।
আওয়ামীপন্থি সাদা প্যানেলের মো. তারিক হোসেনকে পরাজিত করে সিনিয়র সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন নীল প্যানেলের মো. রেজাউল করিম। তারিক হোসেন ও রেজাউল করিম পেয়েছেন যথাক্রমে ৩ হাজার ২২৯ ও ৩ হাজার ৯৩৯ ভোট।
সহ-সভপতি পদে নির্বাচতি হয়েছেন মো. জহির রায়হান। নীল প্যানেলের এই প্রার্থী পেয়েছেন ৩ হাজার ৯০১ ভোট। জহির রায়হানের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাদা প্যানেলের মো. মঞ্জুর আলম মঞ্জু পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৬৮ ভোট।
সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি-জামায়াতপন্থি প্যানেলের মো. ইউসুফ সরকার। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৫৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বিন্দ্বী আওয়ামীপন্থি প্যানেলের মো. আবদুস সালাম খান পেয়েছেন ৩ হাজার ৪১৩ ভোট।
সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন নীল প্যানেলের মো. আরিফুর রহমান রঞ্জু। তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ১৯৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাদা প্যানেলের মো. শাহাদত হোসেন ভূঁইয়া পেয়েছেন ২ হাজার ৯৪৫ ভোট।
সাদা প্যানেলের বিনয় কুমার ঘোষকে পরাজিত করে লাইব্রেরি সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন নীল প্যানেলের আহমদ উল্লাহ আমান। আমান পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৪৪ ভোট। বিনয় কুমার ঘোষ পেয়েছেন ৩ হাজার ৫৪ ভোট।
সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন নীল প্যানেলের রাফিসা আলম লাকি। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৮১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাদা প্যানেলের আফরোজা ফারহানা আহমেদ অরেঞ্জ পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৪৯ ভোট।
দপ্তর সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন নীল প্যানেলের মো. শহীদ গাজী। তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ১৪৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাদা প্যানেলের আবদুল হাই মামুন পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৯১ ভোট।
সদস্য পদের বিজয়ীরা হলেন- এসএম আবুল কালাম (আজাদ) (নীল প্যানেল), শাহদাৎ হোসেন বিপ্লব (সাদা), তাছলিমা ইয়াসমিন দিপা (সাদা), আনোয়ারুল ইসলাম (নীল প্যানেল), সিকদার মো. আক্তারুজ্জামান হিমেল(নীল প্যানেল), আজমত হোসেন(নীল প্যানেল), আরিফুল হক রনি(নীল প্যানেল), সামিনা আক্তার ময়না (সাদা), আজিজুল হক দিদার(নীল প্যানেল), শিহাব উদ্দিন রাসেল(নীল প্যানেল), নাসরীন বেগম(নীল প্যানেল), শাহজাদী পাপড়ি (কহিনুর)(নীল প্যানেল), আব্দুস সালাম তালুকদার (নীল প্যানেল), মনিরা বেগম মনি (সাদা) ও আন্না খানম কলি( সাদা)।
এবারের নির্বাচনে ১৪ হাজার তিনশ ১০ জন ভোটারের মধ্যে আট হাজার একশ ৭৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ঢাকা বারের ২৫টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন মোট ৭১ প্রার্থী। মূল লড়াই হয়েছে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত নীল প্যানেল ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেলের মধ্যে। নতুন করে আবির্ভূত সবুজ প্যানেলের প্রার্থীরা কোনো পদেই ন্যূনতম প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেননি।
গত ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা আইনজীবী সমিতির ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
এবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারে দায়িত্ব পালেন করেছেন ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুস সবুর। অপর ছয় নির্বাচন কমিশনার হলেন- ঢাকা বারের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সাহাব উদ্দিন, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আলী আহাম্মদ, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট এখলাছুর রহমান, সাবেক ট্রেজারার মোহাম্মদ মোহসীন, বর্তমান ট্রেজারার নজরুল ইসলাম শামীম ও অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান ভূঁইয়া।
উল্লেখ্য, গত ২০১৩-১৪ বর্ষের নির্বাচনে ২৫টি পদের মধ্যে নীল প্যানেল সাধারণ সম্পাদকসহ ১৩টি পদে এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেলের প্রার্থীরা সভাপতিসহ ১২টি পদে জয়লাভ করেন।
[b]ঢাকা, ১ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম)//এমএ[/b]
কোষাধ্যক্ষ পদটিও বিএনপি-জামায়াতপন্থী প্যানেলের
ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০১৪-১৫ বর্ষের নির্বাচনে স্থগিত থাকা কোষাধ্যক্ষ পদটিও পেয়েছে বিএনপি-জামায়াতপন্থী নীল প্যানেল। এর ফলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদসহ ১৯টি পদে বিএনপি-জামায়াতপন্থী নীল প্যানেল নিরঙ্কুশভাবে বিজয়ী হয়েছে। নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে আওয়ামীপন্থী সাদা প্যানেলের।
বিএনপি সরকার জনগণের সাথে গাদ্দারি করছে
শরীয়তপুর জেলা জামায়াতের আমীর আব্দুর রব হাশেমীর সভাপতিত্বে পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিনসহ ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
রাত পোহালেই ভোট,কে জিতবে!জামায়াত না বিএনপি
রাত পোহালেই বহুল আলোচিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে শেষ মুহূর্তে চরম উত্তেজনা ও স্নায়ুযুদ্ধ বিরাজ করছে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ভোটের পরিবেশ, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও সামগ্রিক নিরাপত্তা এখন সর্বমহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
নাহিদ ইসলাম বিএনপি-ছাত্রদলের দুর্দিনের বহু কান্ডারিও ভুক্তভোগী
বিশেষ গোষ্ঠীর হাতে রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ায় সারা দেশেই বিএনপি-ছাত্রদলের দুর্দিনের বহু কান্ডারি ভুক্তভোগী হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লিখেছেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকারে নিজেদের লোক বসানোর পাঁয়তারা করছে বিএনপি
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পদে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে বসানোর জন্য বিএনপি এখন থেকেই পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে হলে তাদের দেওয়া র্যাঙ্ক চয়েস পদ্ধতির ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ফর্মুলা বাস্তবায়ন করতে হবে।
নাহিদ আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করছে বিএনপি
আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে দলটিকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, বিএনপি সরকার তাই করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।















