১৯ ফেব্রয়ারির উপজেলা নির্বাচনে কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় বিএনপি -জামায়াত দ্বন্দ্বে চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী দিতে পারিনি ১৯ দলীয় জোট।
বিএনপির জেলা সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানার মনোনীত প্রার্থী গোলাম মোস্তফা। অপরদিকে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার স্বপন। কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাচনে ১৯ দলীয় জোটের এই প্রধান দুই শরিককে আলাদা আলাদা ভাবে উপজেলা নির্বাচন করতে হচ্ছে ।
ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট ১১জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।
বিএনপির-গোলাম মোস্তফা(দোয়াকলম),জামায়াত-অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার স্বপন(আনারস) ,আওয়ামী লীগ-খোকন চৌধরী (ঘড়া), জাতীয় পার্টির- মাহমুদুর রহমান রজেন(টেলিফোন), বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই মাস্টার (মটর সাইকেল) প্রতীক নিয়ে উপজেলা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।
এছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে-ইয়াসিন আরাফাত (টিউবল),ফরিদাপারভীন(ফুটবল),মোঃ রনি মিয়া (মাইক),জালালউদ্দিন মন্ডল (তালা),রাশেদা বেগম(হাঁস) ও মিরা বেগম (কলস) প্রতীক পেয়েছেন।
সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত জামায়াত ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ের স্বপ্ন দেখছে। এবারেই প্রথম বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের অন্যতম প্রধান শরিক জামায়াত ইসলামী জোটে থাকা অবস্থায় উত্তর ধরলায় বড় কোন নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে।
জামায়াত বিএনপি দ্বন্দ্বের পাশাপাশি একই অবস্থা দেখা গেছে আওয়ামী লীগ,জাতীয় পাটির মধ্যে । তারাও কেউ একক প্রার্থী দিতে পারেনি এই উপজেলা নির্বাচনে। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পাটির জোটগত একাধিক প্রার্থী থাকায় এককভাবে ভোটের হিসাব নিকাশ করতে পারছেন না কেউ।
জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে বিএনপিকে কুড়িগ্রাম-১ আসন বিএনপির জেলা সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানাকে ছাড় দিয়ে আসছে । তবে উপজেলা নির্বাচনে কোন ছাড় দিতে নারাজ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
যদিও উপজেলা নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করতে সর্বত্র জোটের একক প্রার্থী দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ১৯ দলীয় জোট নেত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ১৯ দলীয় জোটের নেতাদের সাথে বৈঠকে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে খালেদা জিয়া একটি নির্দেশনাও দিয়েছিলেন ।
জোটগত কোন সিদ্ধান্ত না হলেও উপজেলা নির্বাচন করতে অনড় থাকব স্থানীয় জামায়াত বলে জানা গেছে। একইভাবে কুড়িগ্রাম ৯টি উপজেলায় জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করবে বলে বলে জানা গেছে ।
এ দিকে উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির মধ্যে চরম কোন্দল দেখা দিয়েছে। আসন্ন ১৯ ফেব্রুয়ারী ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে বিএনপি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা ও জেলা সহসভাপতি লৎফুর রহমানের মধ্যে।
ইতিমধ্যে জামায়াত প্রার্থী দেয়ায় নাখোশ বিএনপির জেলা সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা। বিএনপির এই নেতার ধারনা জামায়াত প্রার্থী আজিজুর রহমান সরকার স্বপন উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী হলে আগামীতে ১৯ দলীয় জোট থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করতে পারেন জামায়াতের জেলা আমীর আজিজুর রহমান সরকার স্বপন।
প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার সাথে সাথে জামায়াতের একক প্রার্থী হিসেবে ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আমীর অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার (স্বপন) এর পক্ষে আনারস প্রতীক নিয়ে বিজয়ের লক্ষে নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করেছেন জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা।
আনারস প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে জামায়াত প্রার্থী আজিজুর রহমান সরকার স্বপনের পক্ষে মাঠে ময়দানে প্রকাশ্যে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সহ সভাপতি লূৎফুর রহমান।
[b]ঢাকা, বুধবার ৫ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই
[/b]
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাচনে জামায়াত -বিএনপি দ্বন্দ্ব
১৯ ফেব্রয়ারির উপজেলা নির্বাচনে কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় বিএনপি -জামায়াত দ্বন্দ্বে চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী দিতে পারিনি ১৯ দলীয় জোট।
বিএনপি সরকার জনগণের সাথে গাদ্দারি করছে
শরীয়তপুর জেলা জামায়াতের আমীর আব্দুর রব হাশেমীর সভাপতিত্বে পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিনসহ ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
রাত পোহালেই ভোট,কে জিতবে!জামায়াত না বিএনপি
রাত পোহালেই বহুল আলোচিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে শেষ মুহূর্তে চরম উত্তেজনা ও স্নায়ুযুদ্ধ বিরাজ করছে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ভোটের পরিবেশ, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও সামগ্রিক নিরাপত্তা এখন সর্বমহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
নাহিদ ইসলাম বিএনপি-ছাত্রদলের দুর্দিনের বহু কান্ডারিও ভুক্তভোগী
বিশেষ গোষ্ঠীর হাতে রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ায় সারা দেশেই বিএনপি-ছাত্রদলের দুর্দিনের বহু কান্ডারি ভুক্তভোগী হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লিখেছেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকারে নিজেদের লোক বসানোর পাঁয়তারা করছে বিএনপি
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পদে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে বসানোর জন্য বিএনপি এখন থেকেই পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে হলে তাদের দেওয়া র্যাঙ্ক চয়েস পদ্ধতির ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ফর্মুলা বাস্তবায়ন করতে হবে।
নাহিদ আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করছে বিএনপি
আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে দলটিকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, বিএনপি সরকার তাই করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।















