[b]ঢাকা:[/b] সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচনে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে সোমবার চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চিঠিতে দল বা জোটে যাওয়ার বিষয়ে প্রতিনিধিত্বকারী সাতটি দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়েছে।
সংসদ সদস্যদের সংখ্যা অনুপাতে দল বা জোটগুলো মহিলা আসন পাবে বলে ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সোমবার নির্বাচন কমিশনার মোঃ শাহ নেওয়াজ বলেন, ১৬ জানুয়ারি স্থগিত ৮ আসনের নির্বাচনের পরপরই সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। এ বিষয়টি জানাতেই সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে চিঠি দেয়া হচ্ছে।
আইন অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের পরে ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত আসনে ভোটগ্রহণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এদিকে সংসদ সচিবালয় শপথ নেয়া সংসদ সদস্যদের তালিকা দল ও জোট অনুযায়ী রোববার ইসিকে পাঠিয়েছে সংসদ সচিবালয়।
বৃহস্পতিবার ও শনিবার ২৮৯ জন সংসদ সদস্য শপথ নেন। ৮ জানুয়ারি ২৯০ আসনে নির্বাচিতদের ফলাফল গেজেটে প্রকাশ করে ইসি। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ২২৯, জাতীয় পার্টি ৩৩, ওয়ার্কার্স পার্টি ছয়, জাসদ পাঁচ, স্বতন্ত্র ১৪ এবং জেপি, তরীকত ও বিএনএফ একটি করে আসন পায়।
ইসি কর্মকর্তারা জানায়, ৫০টি সংরক্ষিত আসন সংসদের ৩০০ আসনের বিপরীতে ভাগ করে দল বা জোটের অনুক‚লে আসন বণ্টন করা হবে। সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে প্রতি আসনের বিপরীতে সংরক্ষিত আসন দাঁড়ায় শূন্য দশমিক ১৬৭টি। সে হিসাবে ২৮৯ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ পাবে ৩৮টি আসন, জাতীয় পার্টি ছয়টি, জাসদ একটি, ওয়ার্কার্স পার্টি একটি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা দুটি সংরক্ষিত আসন পাবেন।
২০০৪ সালের সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৫টি নারী আসন ১০ বছরের জন্য সংরক্ষণ করা হয়। এর আগ পর্যন্ত সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা ছিল ৩০। পরে নবম সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনীতে সংশোধন করে ৫০টি সংরক্ষিত আসন করা হয়।
শ্রেণীহীন
মহিলা আসনে নির্বাচন: ৭ দলকে ইসির চিঠি
সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচনে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে সোমবার চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চিঠিতে দল বা জোটে যাওয়ার বিষয়ে প্রতিনিধিত্বকারী সাতটি দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়েছে।





