পঞ্চম বা শেষ দফায় অনুষ্ঠিত ৩৫টি জেলার ৭৩টি উপজেলা নির্বাচনের সবগুলোর বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন ৫২টিতে। আর বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ১২টিতে বিজয়ী হয়েছেন। জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী ৩টিতে এবং অন্যান্য দল সমর্থিত প্রার্থী ৬টিতে জয়লাভ করেছেন।
বিজয়ীরা হলেন:
আওয়ামী লীগ: ৫২
১. ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে আশরাফ উদ্দীন বাদল। ২. কিশোরগঞ্জের অষ্ট্রগ্রামে শহিদুল ইসলাম জেমস। ৩. ফেনীর ছাগলনাইয়ায় মেজবাহুল হায়দার। ৪. রাঙামাটির রাজস্থলীতে উথিন সিন মারমা। ৫. নোয়াখালীর সুবর্ণচরে খায়রুল আলম। ৬. পাবনার বেড়ায় আব্দুল কাদের। ৭. কক্সবাজারের টেকনাফে জাফর আহমেদ। ৮. সাতক্ষীরার দেবহাটায় আব্দুল গণি। ৯. বরগুনার বামনায় সাইফুল ইসলাম। ১০. চুয়াডাঙ্গা সদরে আসাদুল হক। ১১. বরগুনার পাথরঘাটায় রফিকুল ইসলাম। ১২. পাবনা সদরে মোশাররফ হোসেন। ১৩. মৌলভীবাজারের জুড়িতে এমএ মুহিত। ১৪. রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল ইসলাম। ১৫. জামালপুরের মাদারগঞ্জে ওবায়দুর রহমান। ১৬. বরগুনা সদরে আব্বাস হোসেন। ১৭. নোয়াখালীর হাতিয়ায় মাহবুব মোরশেদ। ১৮. টাঙ্গাইলের গোপালপুর ইউনুস ইসলাম তালুকদার। ১৯. টাঙ্গাইলের মির্জাপুর মীর এনায়েত হোসেন মন্টু। ২০. চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে মো. শাহজাহান। ২১. লালমনিরহাট কালিগঞ্জে মাহবুবুজ্জামান। ২২. মৌলভীবাজারের রাজনগরে আকছির খান। ২৩. মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে মহিউদ্দীন আহমেদ। ২৪. মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়িতে কাজী ওয়াহিদ। ২৫. কুমিল্লার চান্দিনায় তপন বকশী। ২৬. সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আজাদ রহমান। ২৭. মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে ওসমান গণি তালুকদার। ২৮. সাতক্ষীরা সদরে আসাদুজ্জামান বাবু। ২৯. লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আলতাফ হোসেন। ৩০. টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নজরুল ইসলাম খান। ৩১. লক্ষ্মীপুর সদরে একেএম সালেহ উদ্দীন টিপু। ৩২. সাতক্ষীরার তালায় সনৎ কুমার। ৩৩. চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মো. হেলাল উদ্দীন। ৩৪. সিলেটের বিয়ানীবাজারে বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান খান। ৩৫. লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে আব্দুল ওয়াহেদ। ৩৬. কুমিল্লার মুরাদনগরে সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুম খসরু। ৩৭. নরসিংদীর মনোহরদীতে সাইফুল ইসলাম। ৩৯. পটুয়াখালির কলাপাড়ায় আব্দুল মোতালেব। ৪০. বরগুণার আমতলীতে দেলোয়ার হোসেন। ৪১. নারায়নগঞ্জের আড়াই হাজারে শাহজালাল মিয়া। ৪২. সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে মোহাম্মদ আলী। ৪৩. টাঙ্গাইল সদরে খোরশেদ আলম। ৪৪. ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া সদরে জাহাঙ্গীর আলম। ৪৫. নীলফামারী ডোমারে আব্দুর রাজ্জাক বসুনিয়া। ৪৬. গাজীপুরের কালিগঞ্জে মোয়াজ্জেম হোসেন। ৪৭. লক্ষীপুরের রামগঞ্জে রুহুল আমীন। ৪৮. ময়মনসিংহের নান্দাইলে আব্দুল মালেক চৌধুরী। ৪৯. নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ শাজাহান ভূঁইয়া। ৫০. ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার কসবায় আনিসুল হক ভুইয়া। ৫১. নরসিংদীর রায়পুরায় মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী। ৫২. গাজীপুরের শ্রীপুরে আব্দুল জলিল।
বিএনপি: ১২
১. কক্সবাজারের উখিয়ায় সরোয়ার জাহান চৌধুরী। ২. রাঙামাটির লংগদুতে তোফাজ্জল হোসেন। ৩. ময়মনসিংহের ত্রিশালে জয়নুল আবেদিন। ৪. সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে হারুন উর রশিদ। ৫. দিনাজপুরের হাকিমপুরে আকরাম হোসেন। ৬. দিনাজপুরের বিরলে বজলুর রশিদ। ৭. ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে আবু আসিফ আহমেদ। ৮. দিনাজপুরের পার্বতীপুরে আমিনুল ইসলাম। ৯. বগুড়া সদরে আলী আজগর হেনা। ১০. নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ আজহারুল ইসলাম মান্নান। ১১. নরসিংদী সদরে মঞ্জুর এলাহী ১২. হবিগঞ্জের বানিয়াচং এ শেখ বশির আহমেদ।
জামায়াত: ৩
১. গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাজেদুর রহমান। ২. রাজশাহীর পবায় মকবুল হোসেন। ৩. কক্সবাজার সদরে বিএম রুহুল্লাহ রহিম।
অন্যান্য: ৬
১. গাইবান্ধার ফুলছড়িতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হাবিবুর রহমান। ২. পটুয়াখালীর দশমিনায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন। ৩. কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী রফিকুল ইসলাম রিনু। ৪. খাগড়াছড়ির দিঘিনালায় ইউপিডিএফ প্রার্থী নব কমল চাকমা। ৫. রাঙামাটির বিলাইছড়িতে জনসংহতি প্রার্থী শুভ মঙ্গল চাকমা। ৬. সুনামগঞ্জের তাহেরপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল।
এছাড়া ৫ম দফার উপজেলা নির্বাচনে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সমর্থক কোন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হতে পারেনি।
উল্লেখ্য, সোমবার দেশের ৩৫টি জেলার ৭৩টি উপজেলায় সকাল ৮টা থেকে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। দখল, বর্জন, জালিয়াতি, ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও সহিংসতার মধ্য দিয়ে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
[b]ঢাকা, ৩১ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ // কেবি
[/b]
শেষ দফায় আ.লীগ ৫২, বিএনপি ১২, জামায়াত ৩, অন্যান্য ৬
পঞ্চম বা শেষ দফায় অনুষ্ঠিত ৩৫টি জেলার ৭৩টি উপজেলা নির্বাচনের সবগুলোর বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন ৫২টিতে। আর বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ১২টিতে বিজয়ী হয়েছেন। জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী ৩টিতে এবং অন্যান্য দল সমর্থিত প্রার্থী ৬টিতে জয়লাভ করেছেন
বিএনপি সরকার জনগণের সাথে গাদ্দারি করছে
শরীয়তপুর জেলা জামায়াতের আমীর আব্দুর রব হাশেমীর সভাপতিত্বে পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিনসহ ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
রাত পোহালেই ভোট,কে জিতবে!জামায়াত না বিএনপি
রাত পোহালেই বহুল আলোচিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে শেষ মুহূর্তে চরম উত্তেজনা ও স্নায়ুযুদ্ধ বিরাজ করছে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ভোটের পরিবেশ, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও সামগ্রিক নিরাপত্তা এখন সর্বমহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
নাহিদ ইসলাম বিএনপি-ছাত্রদলের দুর্দিনের বহু কান্ডারিও ভুক্তভোগী
বিশেষ গোষ্ঠীর হাতে রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ায় সারা দেশেই বিএনপি-ছাত্রদলের দুর্দিনের বহু কান্ডারি ভুক্তভোগী হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লিখেছেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকারে নিজেদের লোক বসানোর পাঁয়তারা করছে বিএনপি
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পদে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে বসানোর জন্য বিএনপি এখন থেকেই পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে হলে তাদের দেওয়া র্যাঙ্ক চয়েস পদ্ধতির ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ফর্মুলা বাস্তবায়ন করতে হবে।
নাহিদ আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করছে বিএনপি
আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে দলটিকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, বিএনপি সরকার তাই করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।















