ফেনির ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে আওয়ামী লীগের আরও এক নেতার নাম বেরিয়ে এসেছে। তিনি হলেন- ফুলগাজীর আনন্দপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন মজুমদার।
এ তথ্য দিয়েছেন হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিহাদ চৌধুরী। তিনি আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে বলেছেন-হারুন মজুমদারও হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন । তিনি একরাম হত্যাকাণ্ডে দুই কোটি টাকা খরচ করেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ফেনীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারক খায়রুল আমীনের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন জিহাদ।
একরাম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ফেনী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, আদালতে জিহাদ চেীধুরী প্রায় ছয় ঘণ্টা জবানবন্দি দিয়েছেন। এসময় এসব নতুন কিছু তথ্য পাওয়া গেছে।
জিহাদ এর আগে রিমান্ডে জানিয়েছিলেন যে, হত্যাকাণ্ডে মূল পরিকল্পনায় ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির আদেল ও পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল আলম মিস্টার।
আদালত প্রাঙ্গণে জিহাদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী আদেল ও মিস্টার পালিয়ে গেছে আর আমি ফেঁসে গেছি।
গত ২৫ মে সন্ধ্যায় জিহাদ চৌধুরীকে পালিয়ে যাওয়ার সময় ফেনী পৌরসভার বারাহীপুর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২৬ মে তাকে প্রথম দফায় ৮ দিন ও দ্বিতীয় দফায় ৩ দিনের রিমান্ডের নির্দেশ দেন আদালত।
[b]ঢাকা, ৬ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ[/b]
শ্রেণীহীন
আ. লীগ নেতা হারুন খরচ করেন ২ কোটি টাকা
ফেনির ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে আওয়ামী লীগের আরও এক নেতার নাম বেরিয়ে এসেছে। তিনি হলেন- ফুলগাজীর আনন্দপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন মজুমদার





